২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পুলিশের অভিযোগ নাকচ করলেন আইজি প্রিজন

অনলাইন ডেস্ক ॥ কারাগারের ভেতর থেকে জঙ্গিদের সেল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন।

বরং তার অভিযোগ জঙ্গিদের আদালতে উপস্থাপনের সময় কিন্তু আদালতে আসা-যাওয়ার পথে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।

তবে লুকিয়ে মোবাইল ফোন কারা অভ্যন্তরে নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, “সেটা হচ্ছে তবে বন্ধ করার জন্য লাগেজ স্ক্যানার ও পার্সোনাল স্ক্যানার কেনার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে”।

গোয়েন্দাদের সহায়তায় গত কয়েক মাসে অনেকগুলো মোবাইল ফোন কয়েদীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশ রাজধানীর উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির সদস্য সন্দেহে ৮ ব্যক্তিকে আটক করার পর ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা কারাগারে আটক জেএমবির আমির সাইদুর রহমানকে কারাগার থেকে মুক্ত করার পরিকল্পনা করছিল ।

তারা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ সহ বিভিন্ন মাধ্যমে জঙ্গি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল বলেও জানান ঢাকা মহানগর পুলিশে এই মুখপাত্র।

এ প্রসঙ্গে বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন বলেন , “ এমন অভিযোগ শোনা গেলেও জঙ্গিবাদে অভিযুক্তদের যেভাবে নজরদারিতে রাখা হয়, তাতে এমন সুযোগ নেই”।

“ ভেতর থেকে যোগাযোগ সম্ভব নয়। আত্মীয় স্বজনের সাথে সাক্ষাতের সময়ও বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সেখানে উপস্থিত থাকে”।

কারা মহাপরিদর্শক অবশ্য বলেন , “ জঙ্গিরা সপ্তাহে দু তিন দিন আদালতে গিয়ে থাকেন। একজন জঙ্গি নেতার বিষয়ে দেখা গেছে ছয় মাসে তিনি ৫৯ বার আদালতে গেছেন। কোর্টে তারা সারাদিন সময় পান এ ধরনের যোগাযোগের জন্য। সেল ফোন দিয়ে যোগাযোগ করলে কোর্টে থেকে বা কোর্টে যাওয়ার সময় হতে পারে। কিছুদিন আগে একজন জঙ্গির ফাইলের মধ্যে করে তথ্য আদান প্রদানের বিষয় সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ধরে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে”।

কারাগারে অর্থের বিনিময়ে কয়েদীদের সুযোগ সুবিধা করে দেয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, “ এটা একেবারেই অবান্তর অভিযোগ নয়। তবে এ জন্য তাৎক্ষনিক তল্লাশি সহ নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়। আর জঙ্গি বা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়। বিশেষ করে মোবাইলের বিষয়ে। তারপরেও একদমই ঘটেনা যে সেটা হয়তো বলা যায়না। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া খুঁজে পাওয়া কঠিন। গোয়েন্দাদের সহায়তা নিয়ে অনেক মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছি গত কয়েক মাসে”। সূত্র-বিবিসি।