২৯ জুলাই ২০১৫

এপিজে কালামের অজানা ১০ তথ্য

অনলাইন ডেস্ক ॥ সদ্যই সবাইকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে অন্য ভুবনে পাড়ি জমিয়েছেন ড. এপিজে আবদুল কালাম।

ছিলেন শিক্ষক, বিজ্ঞানী ও ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতিসহ সর্বোপরি একজন আপাদমস্তক স্বপ্নবাজ মানুষ। নিজে স্বপ্ন দেখেছেন, অন্যকেও বিলিয়েছেন সেই স্বপ্ন।

জীবিতাবস্থায় ছিলেন অসংখ্য মানুষের শ্রদ্ধা ও অনুপ্রেরণার কেন্দ্রবিন্দু। কাজেই এ মহাত্মনের জন্ম, বেড়ে ওঠা ও জীবন যাপন সম্পর্কে কারও তেমন বিশেষ অজানা থাকার কথা নয়।

তারপরও ড. আবদুল কালাম সম্পর্কে আমরা সবকিছুই কি জানি? দেখে নিই এ মহান স্বপ্নদ্রষ্টার অজানা দশ।

১. ড. কালাম দক্ষিণ ভারতীয় খাবার বিশেষত ‘ইডলি’ খেতে খুব পছন্দ করতেন।

২. কর্ণাটকী কণ্ঠশিল্পী এমএস শুভলক্ষ্মীর গানের বড় ভক্ত ছিলেন ড. কালাম। শুভলক্ষ্মীও কালামকে খুব ভালোবাসতেন। বিখ্যাত এ সঙ্গীতজ্ঞ নিজের হাতে কিছু রান্না করলে তা তাকে পাঠাতেন। দু’জনে মিলে মেঝেতে বসে কলাপাতার উপরও খেতেন।

৩. ছোটবেলায় ড. কালামের তিনজন ঘনিষ্ঠবন্ধু ছিলেন। রামনধ শাস্ত্রী, অরবিন্দন ও শিবপ্রকাশন। এ তিন বন্ধুই ছিলেন ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান।

৪. রামেশ্বরম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত পক্ষী লক্ষ্মণ শাস্ত্রী ছিলেন ড. কালামের বাবার প্রিয় বন্ধু।

৫. রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে ড. কালাম এক কামরার একটি ছোট্ট ঘরে থাকতেন।

৬. রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী ড. কালামের আত্মীয়রা রাষ্ট্রপতি ভবনে বিনা খরচে বিমানে চেপে তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারতেন। কিন্তু তা না করে তিনি দ্বিতীয় শ্রেণীর ট্রেনের টিকিট চেয়েছিলেন।

৭. ড. কালামকে একবার বাড়ির বাইরের দেওয়ালে ভাঙা কাচ লাগানোর কথা বলা হলে সেটি শুনে প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিলেন। কারণ, তার মনে হয়েছিল এতে পাখিদের খুব অসুবিধা হবে।

৮. দেশের প্রথম অবিবাহিত রাষ্ট্রপতি ড. কালামকে একবার এক অনুষ্ঠানে বাকিদের চেয়ে বড় ও বিশেষভাবে বানানো একটি চেয়ারে বসতে বলা হয়েছিল। তিনি তাতে রাজি হননি ও বাকিদের মতো সাধারণ চেয়ারে বসেছিলেন।

৯. কেরলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সফরে ড. কালাম রাজভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বিশেষ দু’জনকে। একজন হলেন রাস্তার মুচি আর অন্যজন ছোট এক হোটেলের মালিক।

১০. একবার ৪শ জন শিক্ষার্থীর সামনে ড. কাল‍াম বক্তব্য রাখার সময় বিদ্যুত্‍ চলে যায়। কিন্তু তিনি তাতে থেমে থাকেননি। সঙ্গে সঙ্গে তাদের বলেন, তাকে গোল হয়ে ঘিরে দাঁড়াতে। খালি গলাতেই ৪শ জন শিক্ষার্থীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য চালিয়ে যান তিনি।