১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ফিফা সভাপতি পদে প্লাতিনি

  • প্রস্তুত হচ্ছেন আরও দুই গ্রেট ম্যারাডোনা ও জিকো

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ফিফার সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মিশেল প্লাতিনি। বর্তমানে ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। গত মে মাসে ফিফা কংগ্রেসে সেপ ব্লাটারের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা বললেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেননি প্লাতিনি। তবে ওই নির্বাচনের পরই সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ব্লাটার। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বিশেষ কংগ্রেসে নির্বাচিত হবে নতুন সভাপতি। ওই নির্বাচনে ব্লাটার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। সুইজারল্যান্ডের ৭৯ বছর বয়সী ব্লাটার ১৯৯৮ সাল থেকে ফিফা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফিফার আসন্ন ওই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিলেন প্লাতিনি। ৬০ বছর বয়সী এই ফরাসী সংগঠক ৪ মহাদেশীয় কনফেডারেশনের সমর্থন লাভ করেছেন। এখন সংস্থাটির ২০৯ সদস্য দেশ ও জাতির কাছে তিনি সমর্থন চেয়েছেন।

এ বিষয়ে ফ্রান্সের সাবেক এই আন্তর্জাতিক ফুটবলার বলেন, ‘আমি নিজের ভবিষ্যতের পাশাপাশি ফুটবলের ভবিষ্যতের সঙ্গেও থাকতে চাই।’

ফিফার সভাপতি হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘শেষ অর্ধশতকে ফিফা মাত্র দুজন সভাপতি পেয়েছে। যা এক ধরনের স্থবিরতা তৈরি করেছে। ফুটবলে গতিশীলতা আনয়ন ও প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনয়নে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব প্রয়োজন। ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার সম্প্রতি কার্যক্রম প্রমাণ করে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নতুনত্ব আনাটা জরুরী। ফুটবলের সংহতির স্বার্থে আমি আপনাদের সমর্থন চাই।’ প্লাতিনির নেতৃত্বে ফ্রান্স বিশ্বকাপের দুটি সেমিফাইনাল খেলেছে। জিতেছে ১৯৮৪ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপাও। ২০০৭ সাল থেকে উয়েফার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। এখন তার সামনে ফিফার সভাপতি হওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ।

ফিফার হটসিটে বসার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন ব্রাজিলের সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলার জিকো। আসন্ন ফিফা সভাপতি নির্বাচনে লড়তে চেয়ে ব্রাজিলের ফুটবল ফেডারেশনকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। যদি সিবিএফের অনুমতিও না পান তারপরও ফিফা সভাপতি পদে লড়াই করতে চান জিকো। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ব্রাজিলিয়ান। দীর্ঘ দশ বছর ব্রাজিলের জাতীয় দলের হয়ে খেলেছি। ফিফা সভাপতি পদে লড়াই করার জন্য এটাই আমার প্রথম যোগ্যতা।’ শুধু তাই নয়, ফেডারেশন যদি অনুমতি না দেয় তাহলে তার বিকল্প পথও জানা আছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে ব্রাজিলের সাবেক এই কিংবদন্তির অভিমত হলো, ‘সিবিএফের সভাপতির কাছে আমি চিঠি পাঠিয়েছি। কেন ফিফা নির্বাচনে লড়তে চাই সেটাও বলেছি ওনাকে। কী উত্তর আসে তার জন্য অপেক্ষা করছি। এই প্রস্তাব তিনি মেনে নেবেন বা নেবেন না সেটার অপেক্ষায় রয়েছি আমি। তবে বেশি দিন উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে চাই না। কেননা আমার হাতে অন্য বিকল্প রয়েছে।’ বিশ্বফুটবলের সর্বোচ্চ পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। অন্যদিকে তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা। ব্রাজিল থেকে সভাপতি পদে দাঁড়াবেন আর আর্জেন্টিনা থেকে প্রার্থী হবে না সেটা কী হতে পারে?