২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কালামের দাফন আজ

  • জন্মস্থান রামেশ্বরমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জনতার রাষ্ট্রপতির মরদেহ

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আজ দাফন করা হবে। খ্যাতিমান এই পরমাণু বিজ্ঞানীর জন্মস্থান রামেশ্বরমেই দাফন করা হবে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে সেখানে দাফনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। ভারতীয় বার্তা সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, সাবেক প্রেসিডেন্টের নাতি এ পি জে এম কে শেখ সালীম বলেছেন, ড. কালামের বাড়িতে অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাক্সক্ষী ও সাধারণ মানুষ জড়ো হয়েছেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ওয়েবসাইটের।

বুধবার সকালে সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের জন্মস্থান তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমের উদ্দেশে রওনা হয় শববাহী বিমান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী আজ বেলা ১১টা নাগাদ সম্পন্ন হবে তার দাফনের কাজ। সরকারী বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের দাফন সম্পন্ন হবে ৩০ জুলাই, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায়।’ ভারতরতœ কালামের পরিবার চেয়েছিল ঘরের ছেলের দাফন সম্পন্ন হোক তাঁর জন্মস্থানে। তাই দিল্লী থেকে কালামের দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে তামিলনাড়ুতে।

সোমবার আইআইএম-শিলংয়ে বক্তৃতা করার সময় হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন কালাম। অসুস্থ কালামকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকরা। সোমবারই সামরিক বাহিনীর বিশেষ বিমানে শিলং থেকে দিল্লীতে নিয়ে আসা হয় প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির দেহ। কালামের দেহ রাখা হয়েছিল একটি সরকারী ভবনে, সেখানে তাকে শ্রদ্ধা জানান ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, ভারতরতœ সচিন তেন্ডুলকারসহ আরও অনেকে। সোমবার সন্ধ্যায় ভারতের মেঘালয় রাজ্যের প্রধান শহর শিলংয়ের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ৮৪ বছর বয়সে মারা যান কালাম। শিলংয়ে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেয়ার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ছাত্রাবস্থায় বিমান বাহিনীর জঙ্গী বিমানের পাইলট হতে চেয়েছিলেন কালাম। মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের এই ছাত্র জঙ্গী বিমানের পাইলট হতে না পারলেও অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে রকেট বিজ্ঞানী হয়েছিলেন। পরে ভারতের মিসাইল গবেষণার পথিকৃৎ হয়ে ডিআরডিও, আইএসআরও ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান পেরিয়ে ১৯৯২ সালে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রধান বিজ্ঞান উপদেষ্টা হন। পোখরানে দুই নিউক্লিয়ার বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণেরও নেতৃত্ব দেন কালাম। পরে ২০০২ সালে ভারতের ১১তম প্রেসিডেন্ট হন।