২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজশাহীতে মুসল্লিবেশে শিশু অপহরণ চেষ্টা ॥ পুলিশে সোপর্দ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ বাগমারায় তবলীগ জামাতের মুসল্লি সেজে শিশুকে অপহরণের চেষ্টাকালে এক অপহরণকারীকে ধরে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন। বুধবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের রামরামা গ্রামের জলপাইতলায় এ ঘটনা ঘটে। তুহিন (১২) নামের এক শিশুর কাছ থেকে সাইকেল ছিনতাই করে নাইম (৭) নামের অপর এক শিশুকে অপহরণ করে পালানোর সময় প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে নাটোরের নলডাঙ্গা থানার বারইহাটি গ্রামের লোকজন অপহরণকারীকে ধরে ফেলে বলে জানান বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)। ওই অপহরণকারীর নাম এমাম আকন (২৮)। সে বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার রাজাপুর গ্রামে শাহ সালামের ছেলে। বাগমারা থানার ওসি মতিহার রহমান বলেন, রামরামা গ্রামের জলপাইতলা এলাকার তৈয়ব আলী ছেলে তুহিন ও নাসের ম-লের ছেলে নাইম সকাল ৭টার দিকে সাইকেলে চড়ে বেড়াচ্ছিল। এ সময় অপহরণকারী এমাম লাঠি দিয়ে তুহিনকে মেরে তার সাইকেল কেড়ে নেয়। এরপর নাইমকে অপহরণ করে ওই সাইকেলে করে নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে শিশুটির কান্নাকাটি দেখে বারইহাটি গ্রামের লোকজনের সন্দেহ হলে নাইমকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। নাইম তার ছেলে পরিচয় দিলেও ওই শিশু জানায় সে ওই লোককে চিনে না। জোর করে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে। এরপর গ্রামের লোকজন তাকে ধরে পিটুনি দিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে বাগমারা থানার পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে আটক করে। এদিকে খবর পেয়ে গ্রামের লোকজন জলপাইতলা মসজিদে আসা তবলীগ জামাতের মুসল্লিদের ঘেরে ফেলে গ্রামের লোকজন। এ সময় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

বাগেরহাটে দুই বাঁধে ভাঙ্গন ॥ স্বেচ্ছাশ্রমে মেরামত

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ টানা বর্ষণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাগেরহাট সদর ও শরণখোলা উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের দু’টি বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কমপক্ষে ১৫ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এসব গ্রামের আতঙ্কিত মানুষ প্লাবন থেকে বাঁচতে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ মেরামতর করেছেন। শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নে পাউবোর ৩৫/১ পোল্ডার বাঁধের বেশকিছু স্থানে এবং সদর উপজেলার নাজিরপুর প্রকল্পের বেড়িবাঁধের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কুলিয়ারদাইড় গ্রামের কয়েক স্থানে বাঁধ ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে।

ভাঙ্গন ঠেকাতে জরুরী ভিত্তিতে কাজ শুরু না হলে সাউথখালী ও বাগেরহাট সদরের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কমপক্ষে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কুলিয়ারদাইড় গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল সামাদ খান বলেন, ভৈরব নদীর ভাঙ্গনে গত ১৫ বছরে তার প্রায় ২০ বিঘা জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড ওই এলাকায় তিন দফা বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে আবারও বাঁধটি ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে। যেকোন মুহূর্তে বাঁধের কুলিয়ারদাইড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। বাঁধ সংলগ্ন এলাকার কৃষক অলক কুমার সেন (৪৩) জানান, বাঁধ রক্ষায় পাইলিং কাজ হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেউ এলাকায় আসেনি। ঠিকাদার দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে কাজ শেষ করেছেন।

নির্বাচিত সংবাদ