১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

একটি সেতুর অভাবে দশ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

সংবাদদাতা, নাটোর, ৩০ জুলাই ॥ বাগাতিপাড়ায় গোয়াশ-সালাইনগর সংযোগ সড়কের মাত্র দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ এবং বড়াল নদীর ওপর রহিমানপুর-দিয়াড় ফেরিঘাট এলাকায় একটি ব্রিজ নির্মাণের অভাবে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীসহ এলাকার প্রায় দশ হাজার মানুষ। আর একই কারণে রাস্তায় কোন ধরনের যান যলাচল না করায় প্রতিদিন হেঁটে পথ পাড়ি দিতে হয় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সকল পেশার মানুষকে। বর্ষাকালে জনদুর্ভোগের মাত্রা চরমে ওঠে।

উপজেলার গোয়াশ-সালাইনগর সংযোগ সড়কের মাত্র দেড় কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ এবং বড়াল নদীর ওপর রহিমানপুর-দিয়াড় ফেরিঘাট এলাকায় একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য বরাবর কয়েক দফা দাবি জানালেও এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি উপেক্ষিত হয়েছে বার বার। স্থানীয় প্রকৌশলী অধিদফতর থেকে রাস্তাটির মাপজোক করা হয়েছে বেশ কয়েকবার। রাস্তাটি বিভিন্ন সময় পাকাকরণের জন্য মনোনীত হলেও অজ্ঞাত কারণে এখন পর্যন্ত তার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশ এলাকাবাসী। অন্যদিকে বড়াল নদীর ওপর রহিমানপুর-দিয়াড় ফেরিঘাট এলাকায় নদীর এপার-ওপার দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাইস্কুল, কারিগরি স্কুল, কলেজ, পলিটেকনিক্যাল, বালিকা বিদ্যালয়সহ সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণী, পেশার মানুষ এই রাস্তা এবং নদীর ওপর এলাকাবাসীর উদ্যোগে নির্মিত বাঁশের সাকোর ওপর দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে থাকেন। এতে করে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনার স্বীকার হতে হয় পথচারীদের। স্থানীয় নাসিম মাহমুদ জানান, এলাকাটি কৃষিপ্রধান হওয়ায় কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ করতে প্রায় সাত কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। তাছাড়াও রাস্তাটি কাঁচা হওয়ায় বর্ষাকালে কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য ট্রাকসহ অন্যান্য গাড়ি প্রবেশ করে না। ফলে অনেকটা কম দামেই এসব পণ্য বিক্রি করতে হয় চাষীদের।

উপজেলা প্রকৌশলী মোজাহার আলী বলেন, দেড় কিলোমিটার রাস্তা এবং ব্রিজটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় রাস্তার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তবে রাস্তাটি বরাদ্দ পেলে তা পাকাকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে তকিনগর ব্রিজটি নির্মাণের জন্য চাহিদানুযায়ী প্রাথমিক তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে ব্রিজটি নির্মাণ করা হবে।