১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঝলক

ফুটবলার হয়ে গেলেন জেলে!

একেই বলে উল্টো পুরান। ছিলেন খ্যাতিমান ফুটবলার, এখন জেলে। অবশ্য তিনি যে বাধ্য হয়েই জেলে হয়েছেন, তা নয়। অনেকটা শখের বশেই আজ তিনি জেলে। বলছি ইংল্যান্ড দলের প্রাক্তন মিডফিল্ডার লি বাওয়ের কথা। ফুটবল মাঠে দ্যুতি ছড়ালেও জড়িয়ে পড়েছিলেন নানা বিতর্কে। এগুলোই তাকে ধীরে ধীরে দূরে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল ফুটবল মাঠ থেকে। তিন বছর ধরে ফুটবলে আর পা ছোঁয়াননি তিনি। অনেকে মাঠের ফুটবল ছেড়ে কোচিং, কমেন্ট্রিসহ বিভিন্নভাবে ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও লি বাওয়ের ব্যতিক্রম। তিনি শখের মাছ ধরাকেই বেছে নিয়েছেন ফুটবলার পরবর্তী পেশা হিসেবে। ফ্রান্সের ওরকোনেট নামের একটি জলাশয় কিনে নিয়েছেন তিনি। সেখানে মাছ চাষ করে তা বিক্রি করছেন একেবারে পাকা জেলের মতোই।

পান্ডার ভুয়া প্রেগন্যান্সি!

প্রেগনেন্টের ভাব দেখালে বেশি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে, এমনটাই হয়ত ভেবেছিল ইউয়ান। তাই তো কত অভিনয়। একবারেও ভাবেনি, ধরা পড়ে যাবে তার অভিনয়। কিন্তু ধরা পড়ে গেছে। তাইওয়ানের তাইপের চিড়িয়াখানায় রাখা পান্ডা ইউয়ানের প্রেগনেন্টের খবরে বেশ আশাবাদী হয়ে পড়েছিল কর্তৃপক্ষ। সেই আশায় গুড়েবালি। ভুয়া প্রেগন্যান্সি। ক্ষুধামন্দাসহ গর্ভধারণের অন্যান্য অনেক লক্ষণের অভিনয় করে গিয়েছিল ইউয়ান। পেয়েও ছিল অনেক যতœ আত্তি। প্রেগনেন্ট পান্ডার জন্য আলাদা আলাদা রুমের ব্যবস্থা করা হয়। অধিক খানাপিনাও দেয়া হয়। এসবের লোভেই ইউয়ানের এমন অভিনয়। কিন্তু বালাই ষাট। এগারো বছর বয়সী পান্ডাটির সব জারিজুরি ফাঁস হয়ে গেছে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর। এতে চক্ষু চড়ক গাছ কর্তৃপক্ষের। মানুষের মতো পান্ডাও যে ধাপ্পাবাজ হতে পারে এ তো কল্পনাও তারা করতে পারেনি।

প্রাচীন পা-ুলিপির পাঠোদ্ধার

পঁয়তাল্লিশ বছর আগে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল দেড় হাজার বছর আগের পা-ুলিপিটি। কিন্তু এতদিন ধরে কোনমতেই উদ্ধার করা যাচ্ছিল না পা-ুলিপিতে কি লেখা আছে তা। অতঃপর এখন জানা গেল পা-ুলিপিটিতে আছে বাইবেলের বাণী। ইসরাইলের একটি স্তূপে খননকাজ করতে গিয়ে প্রতœতত্ত্ববিদরা খুঁজে পেয়েছিলেন এই পা-ুলিপিটি। তাদের ধারণা, এই পা-ুলিপিখানি দুর্ঘটনায় কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। মরু সাগরের তীরবর্তী পাবর্ত্য অঞ্চলের গুহাকন্দরে খুঁজে পাওয়া পাঁচটি পা-ুলিপির মধ্যে এটিকেই সবচেয়ে প্রাচীনতম বলে মনে করছেন তারা। পুড়ে যাওয়ার কারণে কোনমতেই পা-ুলিপিটির পাঠোদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছিল না, কিন্তু কেন্টাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক ব্রান্ট সিলসের যুগান্তরকারী ‘ভার্চুয়াল আনর্যাপিং টুল’ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তা সম্ভব হলো। পা-ুলিপিটির পাঠউদ্ধারের পরই জানা গেছে এটি লেখা হয়েছিল খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে। কেন্টকি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই সাফল্যের কথা বেশ গর্ব নিয়েই ঘোষণা করেছেন ইসরাইলী সংস্কৃতিমন্ত্রী মিরি রেগেভ।

দশ কেজি ওজনের গলদা!

একটা গলদা মাছকে পাল্লায় উঠিয়ে দেখা গেল ওজন দশ কেজি। কী অবাক হচ্ছেন? কিভাবে সম্ভব। যে গলদার ওজন হয় গ্রামে, সেই গলদার ওজন কিভাবে কেজিতে হয়। তাও আবার এককেজি, দুকেজি নয়, পুরো দশ কেজি। অসম্ভব মনে হলেও এটাই সত্যি। সম্প্রতি কানাডায় ধরা পড়েছে এমন অতিকায় এক গলদা চিংড়ির। এটি শুধু ওজনেই বেশি নয়, বয়সেই বেশি। সাধারণত জন্মের পর থেকে এক পাউন্ড ওজন বাড়তে একটি গলদার সময় লাগে সাত বছর। সেই হিসেবে এই গলদাটির বয়স এখন ৯৫ বছর। গলদা চিংড়িটি ধরার পর তা লং আইল্যান্ডের একটি রেস্তোরাঁয় বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। রেস্তোরাঁর মালিক স্টিভ জর্ডন একে চুলোয় নিয়ে গিয়ে ফ্রাই বানাননি। দিয়ে দিয়েছেন লং আইল্যান্ড এ্যাকুরিয়ামে। এই বিষয়ে তিনি বলেন, চিংড়িটি এত বয়সী ও ওজনে বেশি হওয়া সত্ত্বেও ছোট চিংড়ির মতোই ছটফট করছিল। দেখে মায়া লাগে। এত ভাল একটি প্রাণীকে দেখে মারতে ইচ্ছে করেনি। তাই দিয়ে দিয়েছি এ্যাকুরিয়ামে। ওরা এর ভালমতো খেয়াল রাখবে। ও এত বছর সমুদ্রে বেঁচে ছিল, এখন এখানে বেঁচে থাকবে।’ চিংড়িটিকে দেখতে অনেকেই এখন ভিড় করছেন এ্যাকুরিয়ামে।