২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিপিএল টি২০, নতুন মালিক খুঁজছে বিসিবি

  • পুরনো সাত ফ্র্যাঞ্চাইজিই বাতিল

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) টি২০’র পুরনো সাত ফ্র্যাঞ্চাইজিকে বাতিল করে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিপিএলের সাত দলÑ ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুরের জন্য নতুন সাত মালিক খুঁজছে বিসিবি। এ নিয়ে বিজ্ঞাপনও দেয়া হয়েছে। বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন এ নিয়ে বলেন, ‘নোটিস অনুযায়ীই ব্যবস্থা নিয়েছে বোর্ড। সব ফ্র্যাঞ্চাইজির চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যেই আমরা নতুন মালিকানা চেয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছি। বিস্তারিত গাইডলাইন দ্রুতই বিসিবির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।’ এ বছর নবেম্বরে শুরু হওয়ার কথা বিপিএল। এ ঘোষণা আগেই দেয়া হয়েছে। এর আগে বিপিএলের আগের ৭ দলই বিক্রয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। এ জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে দরপত্রও আহ্বান করেছে বিসিবি। এর মাধ্যেমে দলগুলো বিক্রির প্রক্রিয়া শুরুও করে দিল বিপিএল কমিটি। আগ্রহী সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বিপিএলে দল কেনার জন্য আবেদন করতে পারবে। দরপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ১৭ আগস্ট। মূলত পুরনো মালিকরা বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি খুঁজছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা বিসিবি। বিপিএল গবর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘বিপিএলে প্রথম দুই আসরে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো তাদের চুক্তি অনুযায়ী কাজ করেনি। তাদের বার বার চিঠি দেয়া হয়েছে। তারপরও তারা বকেয়া পরিশোধ করেনি। এ ছাড়া যে সব ঝামেলা সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো সমাধানের জন্য বলা হলেও তারা তাতে কর্ণপাত করেনি। পরবর্তী সময়ে তাদের মালিকানা বাতিল করা হবে বলে চিঠিও দেয়া হয়েছে। এর জবাব এখনও পাইনি।’ এর আগে ২০১২ সালে বসেছিল বিপিএলের প্রথম আসর। এরপর ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আসর। ওই আসরে ম্যাচ পাতানোর কেলেঙ্কারি মাথায় নিয়ে বন্ধ হয়ে যায় বিপিএল। দুই বছর পর আবারও আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে ঘরোয়া ক্রিকেটের এই টি২০ টুর্নামেন্ট। ২০১২ সালে বিপিএলের প্রথম আসরে অংশ নিয়েছিল ৬ দলÑ ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স, চিটাগং কিংস, খুলনা রয়্যালস, বরিশাল বার্নাস, সিলেট রয়্যালস ও দুরন্ত রাজশাহী। ২০১৩ সালে সপ্তম দল হিসেবে যোগ দিয়েছিল রংপুর রাইডার্স। এই সাত দলের ফ্র্যাঞ্চাইজিই বাতিল করে দলগুলোর জন্য নতুন মালিক খোঁজা হচ্ছে। অবশ্য বিসিবির সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর যে হিসেব-নিকেশ এখনও আছে তা নিয়ে আলোচনা চলছে। বিসিবির সিইও’ই যেমন বললেন, ‘আগের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর স্বত্বাধিকারীদের সঙ্গে দেনা-পাওনা নিয়ে আলোচনা চলছে। পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা করছি আমরা। না হলে পরবর্তীতে পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’