১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উৎসাহী নন এরদোগান!

  • কুর্দিবিরোধী অভিযানে জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি

সিরিয়া ও ইরাকে সহিংসতা দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক চুক্তিতে পৌঁছানোর দিন কয়েক পর তুরস্ক বলেছে, সে তার নিরাপত্তার প্রতি হুমকির সৃষ্টি করছে এমন চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। -নিউইয়র্ক টাইমস

কিন্তু তুর্কিরা যে চরমপন্থীদের কথা ভাবছে তারা ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সদস্য নয়। বরং তুরস্ক অন্তত কুর্দি জঙ্গীদের নির্মূল করতে বদ্ধপরিকর বলে চলতি সপ্তাহে ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তুরস্ক তাদের দমন করতে কয়েক বছর ধরেই জোর চেষ্টা চালিয়ে এসেছে। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোগান মঙ্গলবার কুর্দি জঙ্গীদের প্রশ্নে উত্তেজনার মাত্রা চড়িয়ে দেন। ঐদিন তিনি তাদের সঙ্গে দু’বছর ধরে চলমান শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা অসম্ভব বলে সাংবাদিকদের জানান। আইএস যোদ্ধাদের মতোই কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীরাও তুরস্কের ভূখ-ের প্রতি হুমকির সৃষ্টি করেছে বলে ইঙ্গিত করে তুরস্ক মঙ্গলবার ন্যাটোর এক জরুরী বৈঠক আহ্বান করে। তুরস্ক ঐ বৈঠকে উভয় দলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ন্যাটোর সমর্থন লাভ করে। গত সপ্তাহে তুরস্ক আইএসের ওপর নতুন করে বিমান হামলা চালায় সেই সঙ্গে দেশটি ইরাকের কুর্দি জঙ্গীদের ওপরও সমভাবে প্রচ- বোমাবর্ষণ করে। জাতিগত সিরীয় কুর্দিরাও আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে। এ সহিংসতার ঢেউ তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলেও আঘাত হানে। সেখানে কুর্দিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। এরদোগানের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য ন্যাটো মিত্রের জন্য জটিলতার সৃষ্টি করেছে। জোটের নিয়ম অনুযায়ী তারা হুমকির হাত থেকে তুরস্ককে রক্ষা করতে বাধ্য এবং তারা দীর্ঘকাল আগেই কুর্দি জঙ্গী দল পিকেকে-কে এক সন্ত্রাসী দল হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।