২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমান নিয়ে সংশয়

অনলাইন ডেস্ক ॥ ভারত মহাসাগরে রিইউনিয়ন দ্বীপের সৈকতে গত বুধবার খুঁজে পাওয়া ধ্বংসাবশেষটি বোয়িং বিমান ৭৭৭ এর অংশ হতে পারে বলে। এ নিয়ে অনেকটাই নিশ্চিত মালয়েশিয়া। ফলে এটি নিখোঁজ বিমান এমএইচ ৩৭০ এর ধ্বংসাবশেষ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে গেল। কারণ এমএইচ ৩৭০ এর ওই ফ্লাইটে বোয়িং ৭৭৭ সংযুক্ত ছিল।

পুলিশের বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ফ্রান্সের মালিকানাধীন দ্বীপে খুঁজে পাওয়া বিমানের টুকরোটি দেশটির সামরিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।

মালয়েশিয়ার উপপরিবহনমন্ত্রী আবদুল আজিজ কাপরাউই রয়টার্সকে বলেন, প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, খুঁজে পাওয়া পাখার মতো দেখতে অংশটি বোয়িং ৭৭৭ এর।

তবে বোয়িং এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বিমানের নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শক গ্রেগ ফেইথ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোরটেশন সেফটি বোর্ডকে বলেন, ওই ধ্বংসাবশেষটি বোয়িং ৭৭৭ এর। তবে এটি এমএইচ ৩৭০ এর ধ্বংসাবশেষ কি না, তা পরিষ্কার নয়।

সাগর বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমএইচ ৩৭০ বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার জায়গা থেকে ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার জায়গাটি হাজার কিলোমিটার দূরে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৮ মার্চ মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে চীনের রাজধানী বেইজিং যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয় মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ। ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়ে ওঠা উড়োজাহাজটিতে ২৩৯ জন যাত্রী ও ক্রু সদস্য ছিলেন।

রিইউনিয়ন দ্বীপের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, দেখে মনে হয় বিমানের ওই ধ্বংসাবশেষটি দীর্ঘ দিন পানিতে ছিল। পরে ভাসতে ভাসতে সৈকতে এসে পৌঁছায়। ভারত মহাসাগরের বিস্তৃত এলাকায় বড় ধরনের আন্তর্জাতিক তল্লাশি অভিযান চালিয়েও দীর্ঘ দিন উড়োজাহাজটির চিহ্ন মেলেনি। দুর্ঘটনা বা উধাও রহস্যেরও কোনো কিনারা হয়নি।

এদিকে সৈকতে ধ্বংসাবশেষটি খুঁজে পাওয়ার পর আলোচনায় এসেছে ফ্রান্সের মালিকানাধীন রিইউনিয়ন দ্বীপ। সেখানকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পরামর্শক মারিয়া নোয়েলে লি নিভেত বলেন, অদ্ভুত লাগছে যে বিশ্বের নজর এখন আমাদের ছোট্ট দ্বীপের দিকে।