২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সম্পাদক সমীপে

  • বঙ্গ বন্ধু মানে বাংলাদেশ

‘যারা কাছে আছে তারা কাছে থাক

তারা তো পারে না জানিতে

তাহাদের চেয়ে তুমি কত কাছে

আমার হৃদয় খানিতে।’

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর পূজাপর্বে এই লাইনগুলো লিখেছিলেন। লাইনগুলো পড়তে পড়তে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। যতবার পড়ি ততবারই কেন যেন একজনের মুখচ্ছবি ভেসে ওঠে মনের আঙিনায়। তিনি আর কেউ নন। বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সিংহ হৃদয়ের সংগ্রামী মানুষের মূর্ত প্রতিচ্ছবি। বাঙালী জাতির মুক্তিদাতা।

আগস্ট মাস এলেই বুকের ভেতর জেগে ওঠে দীর্ঘ হাহাকার। শোকের মাতম। পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে বসবাসরত বাঙালীর হৃদয়ে আগস্ট মাস মানে শোকের মাস। আগস্ট বাঙালীর বুকে জাগিয়ে তোলে বেদনাবিধূর এক অনুূভূতি। এ অনুভূতির পরতে পরতে জাগরুক থাকে বঙ্গবন্ধু।

একই সঙ্গে আগস্টে বাঙালীর মধ্যে জন্ম নেয় ষড়যন্ত্র আর চক্রান্তকারীদের প্রতিহত করার শক্তি। বাঙালী নব চেতনায় জেগে ওঠে আগস্টের দীক্ষায়।

বঙ্গবন্ধু মানে স্বপ্ন। বঙ্গবন্ধু মানে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকা। বঙ্গবন্ধু মানে অহঙ্কার। বঙ্গবন্ধু মানে বাঙালী। বঙ্গবন্ধু মানে লাল-সবুজ পতাকার বাংলাদেশ।

আহাদ রেজা রিদ্য

শুক্রাবাদ, ঢাকা

ধঃযধরৎরফযধ১৫@ুধযড়ড়.পড়স

সম্পাদক সমীপে

সীতাকু- রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে সীতাকু- একটি পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। সীতাকু- ১ হাজার ৩০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। পুণ্য লাভের আশায় বিভিন্ন গোত্রের ভক্তবৃন্দ শিব চতুর্দশী উপলক্ষে এই মন্দিরে উপস্থিত হয়ে মনের আশা ব্যক্ত করে থাকেন। দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্তের আগমন প্রমাণ করে এই তীর্থস্থানের গুরুত্ব। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এখানকার শঙ্কর মঠ ছাড়া কোন মঠ মন্দিরে সাধু-সন্ন্যাসী দেখা যায় না। আজ বহু বছর হলো রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অথচ সেখানেও কোন সাধু-সন্ন্যাসীর দেখা মেলে না। সীতাকু-ের মতো জায়গায় রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের মতো স্থানে সাধু-সন্ন্যাসী না থাকলে মনে হয়Ñ ‘বনেরা বনে সুন্দর-সাধু সন্ন্যাসীরা মঠ মন্দিরে সুন্দর’। স্থানীয় ভক্তবৃন্দসহ দূর-দূরান্ত থেকে আগত সকল ভক্তের প্রত্যাশা এ মন্দিরে দ্রুত সাধু নিয়োগ করা হোক। এতে ভক্তদের মানসিক শান্তি ও স্বস্তি বৃদ্ধি পাবে। পূর্ণতা লাভ করবে মন্দিরের সকল কার্যক্রম। পুণ্য লাভ প্রার্থীরা আশা করেন ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

রতন রায়

সীতাকু-, চট্টগ্রাম

বঙ্গীয় গণতন্ত্র

১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ সাল প্রায় অর্ধদশক বাংলাদেশ নিমজ্জিত ছিল অন্ধকারে। এই অন্ধকার হার মানিয়েছে মধ্যযুগীয় অন্ধকারকেও। যে অন্ধকার নষ্ট করেছে এদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সভ্যতা, সংস্কৃতি। নষ্ট করেছে মানুষের মনন ও মস্তিষ্ক। কেড়ে নিয়েছে মানুষের অধিকার। মারাত্মক ক্ষতির স্বীকার হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। দেড় দশকের এই অন্ধকার বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিয়েছে হাজার বছর। এই সময়ের দিকে তাকালে চোখে কোন আলো আসে না। চারদিকে কেবল নিকষ আঁধার।

৭ নবেম্বর অন্ধকারের এই সূচনালগ্নে ত্রাণকর্তারূপে যিনি আবির্ভূত হন, তার হাতে বীরমুক্তিযোদ্ধা কমরেড তাহেরসহ শত শত বীরমুক্তিসেনাকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে ফাঁসির কাষ্ঠে প্রাণ দিতে হয়েছে। পাক-ভারতের ইতিহাসে কোন সামরিক অভ্যুত্থানে এত লোকের ফাঁসি, হত্যা, প্রাণহানি জেল আর কখনও ঘটেনি। এই সেনা নায়কের উত্তরসূরিরা গণতন্ত্রের আড়ালে কায়েম করেছেন নীলনক্সা। এই নীলনক্সার ধারাবাহিকতায় নিম্ন ও নিকৃষ্ট মানের গণতন্ত্রের মাশুল গুনতে হচ্ছে আজকের ২১ শতকের বাঙালী তথা বাংলাদেশকে। যার ফলশ্রুতি বোমা হামলা, গ্রেনেড হামলা থেকে শুরু করে আজকের পেট্রোলবোমা।

দিপ্তী ইসলাম

ঢাকা

উল্টো পথে ট্রেন

২৬ কিলোমিটার ট্রেন চলল কোন চালক ছাড়া উল্টো পথে। বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল, শেষ পর্যন্ত তা ঘটেনি। রাজবাড়ী থেকে ফরিদপুর যাওয়ার ট্রেন ফরিদপুর এক্সপ্রেসে ঘটে এই ঘটনা। কতটা দায়িত্বহীনতা আর অবহেলার মধ্যে চলছে বাংলাদেশ রেলওয়ে তার চিত্র ফুটে উঠল এই উল্টো যাত্রায়।

চালক ছাড়া ও উল্টো পথে এই ট্রেন চলার পেছনে কোন সামান্য ভুল নয় বরং যুগপৎ সংশ্লিষ্ট সবার মাত্রাছাড়া দায়িত্বহীনতাই বহির্প্রকাশ। ট্রেন ছাড়ার ৪৫ মিনিট আগে চালক ও সহকারী চালকের ইঞ্জিন চালু করার পর তাদের রুম ছাড়ার কোন সুযোগ নেই। পরিচালকের ট্রেনে অবস্থান নেয়ার কথা ছাড়ার ৩০ মিনিট আগে। কিন্তু কেউই দায়িত্বজ্ঞান চেতনায় বশবর্তী ছিলেন না।

গণমানুষের সহজ ও সুলভ যানবাহন রেলপথ। যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেল যোগাযোগের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে আমাদের মতো ঘনবসতিপূর্ণ জনপদের অধিক যাত্রী রেলপথে একত্রে দ্রুততম সময়ে অধিক পথ নিরাপদে অতিক্রম করতে পারেন। রেলপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন ভাড়াও তুলনামূলকভাবে কম। তাই উন্নত বিশ্বের নাগরিকরা যানজটের মতো অসহনীয় ঝামেলা এড়াতে নিয়মিত যাতায়াতে রেলভ্রমণকে বেছে নেয়।

বাংলাদেশে প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার রেলপথের মধ্যে বেশিরভাগই স্বাধীনতাপূর্ব সময়ের। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও সিলেট-চট্টগ্রামের প্রধান রুটের পাঁচ শ’ কিলোমিটার রেল ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ঘটনার হার বেশি। এছাড়া বেশির ভাগ রেলপথে ব্যালাস্ট, সিøপার, ফিশপ্লেট, সংযোগকারী ডগ স্পাইক, নাট-বোল্টের মতো প্রয়োজনীয় উপাদানও সঠিকভাবে থাকে না। রেলপথের অতিগুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ ও তেল ট্রেন চালকের সহযোগিতার প্রতিনিয়ত চুরির ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারেরও অভাব রয়েছে। জরাজীর্ণ প্লাটফর্ম, মান্ধাতা আমলের রেললাইন, ইঞ্জিন, বগি এবং অদক্ষ চালক দিয়ে চলছে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। এতে দিন দিন রেলপথের প্রতি মানুষের আগ্রহ কমে যাচ্ছে। প্রতিবছর রেল দুর্ঘটনায় সম্পদ ও প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে।

পরিসংখ্যানে জানা যায়, গত আড়াই বছরে ৩৫টি যাত্রীবাহী, ১১৫টি মালবাহী ট্রেনসহ মোট ১৫০টির অধিক ছোট বড় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব ট্রেন দুর্ঘটনায় পাঁচ শতাধিক যাত্রী হতাহত হয়। অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করে। একটি ট্রেন দুর্ঘটনায় রেললাইন, ট্রেনের বগি, যন্ত্রাংশ ছাড়াও যাত্রীদের মালামালের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষিত হয়। এছাড়া দুর্ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর রেল লাইনকে সচল করে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করে তুলতে অনেক সময় লেগে যায়। এ দীর্ঘ সময়ে বিভিন্ন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার কারণে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বাংলাদেশে ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে অকার্যকর সিগনাল ব্যবস্থা, লেভেল ক্রসিংয়ের অব্যবস্থা এবং চালকের সিগন্যাল অমান্য করা শিক্ষা প্রশিক্ষণ অদক্ষতাকে দায়ী করা হয়। বিপরীতে বাংলাদেশের রেল ব্যবস্থায় রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস। ইংল্যান্ডে নিবন্ধিকৃত আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ের প্রাইভেট কোম্পানি ১৮৯৫ সালে চট্টগ্রামের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহের রেল যোগাযোগের সূচনা করে। ১৮৯৫ সালে ১ জুলাই মেঘাচ্ছেন আকাশে প্রথম রেলগাড়ি ৯৩ মাইল দূরত্বের কুমিল্লার উদ্দেশে চট্টগ্রাম স্টেশন ছেড়ে যায়, সেটা ছিল এক স্মরণীয় দিন ও ক্ষণ। সেদিন রেলপথের দু’ধারে লোকজন জমা হয়ে অবাক বিস্ময়ে দেখেছিল অবিশ্বাস্য এ ঘটনা। রেল কোম্পানির প্রধান অফিস স্থাপিত হয়েছিল বর্তমান স্টেডিয়ামের বিপরীত দিকে পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত বৃক্ষশোভিত ছায়াঘন অনুচ্চ পাহাড়ের নান্দনিক পরিবেশে। একই সময়ে স্থাপিত হয়েছিল রেলওয়ের একটি কারখানা। আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ে ৭৪০ মাইল দীর্ঘ রেলপথ নির্মাণ শেষে তার উদ্বোধন করেছিলেন চট্টগ্রামের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৪ সালে।

বাংলাদেশের ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থার অবকাঠামোগত উন্নয়নকল্পে রেললাইন, ইঞ্জিন, বগি, সিগন্যাল ব্যবস্থার সংস্কার এবং নিয়মিত সংরক্ষণ ও মেরামত এবং সর্বস্বরে প্রযুক্তি সমৃদ্ধ দক্ষ জনবল নিয়োগ নেয়া অত্যাবশ্যক। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পাতাল ট্রেন, এশিয়ান রেলওয়ে বুলেট ট্রেন নামানোর বড় আকাক্সক্ষার কথা বারবার জানাচ্ছেন। তিনি নিরাপদ ও দ্রুতগতিসম্পন্ন রেলওয়ের মহাস্বপ্ন দেখছেন তার স্বপ্ন পূরণ করতে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন অদক্ষ ট্রেন চালকের সোনালী করমর্দন। নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে দক্ষ প্রশিক্ষিত ট্রেন চালক। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় আমাদের দেশে এ বিষয়ে পূর্ব প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের কোন সুযোগ নেই। প্রয়োজন অতিদ্রুততার সঙ্গে রেলসংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ে অন্তত ডিপ্লোমা শিক্ষা চালু করা। প্রশিক্ষিত দক্ষ জনবল তৈরির ব্যবস্থা ব্যতিত রেল কল্পনা-মহাপরিকল্পনা অতীতের মতো রংধনু হবে। ট্রেন সামনে চলমান না হয়ে দ্রুতই উল্টো পথ অনুসরণ করবে।

মো. আবুল হাসান

খন রঞ্জন রায়

চট্টগ্রাম

সড়ক নয় যেন খাল

সাভার আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুত সমিতি-১ সংলগ্ন রোড নং-২ সড়কটি মিজান প্লাজার পাশ দিয়ে উক্ত সমিতির উত্তর দিকের দেয়াল ঘেঁষে পূর্ব দিকে প্রসারিত হয়ে পল্লীবিদ্যুত সমিতির পাকা মসজিদের পাশ দিয়ে আরও পূর্ব দিকে প্রসারিত হয়ে ক্যান্টনমেন্টের সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। গত এক সপ্তাহের একটানা বৃষ্টিতে সড়কটি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। বর্ষায় বৃষ্টি হলেই রাস্তার খানাখন্দে পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। আর এসব গর্তে যানবাহন উল্টে গিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘনা। বৃষ্টির পানির সঙ্গে সমস্ত আবর্জনা মিশে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে, পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। জুমার নামাজে মুসল্লিদের পরিষ্কার জামাকাপড়ে ময়লা পানি লেগে অপবিত্র হচ্ছে। পথচারীদের ভীষণ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথটি মরহুম হাজী জৈনন্দিনের পুত্রগণ হোটেল ভাড়া দিয়ে পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। ওই পথে বৃষ্টির পানি অদূরে অবস্থিত ঝিলে পড়ত, সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতো না। পথচারীর দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। এখনও ওই হোটেলের পাশ দিয়ে আট ইঞ্চি পাইপের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। তাতে পথচারী ও মুসল্লিদের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব হবে।

মো. খলিলুর রহমান

পূর্ব ডেন্ডাবর, সাভার

জয়পাড়ায় ব্যাংকের শাখা চাই

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলাধীন জয়পাড়া একটি প্রসিদ্ধ স্থান। এখানে একটি বাজার আছে। বাজারে সপ্তাহে একদিন বিরাট হাট বসে। এখানে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য বিদ্যমান। এখানকার বহুলোক বিদেশে থাকে। এখানকার তাঁতের কাপড় বিখ্যাত। এখানে পূবালী ব্যাংকের মতো আধুনিক সেবাসম্পন্ন একটি ব্যাংকের শাখা প্রয়োজন।

তাই জয়পাড়া পূবালী ব্যাংকের একটি শাখা খোলার জন্য আমি অত্র ব্যাংকের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আবুল আবেদন জানাচ্ছি।

মোঃ মাজেদুর রহমান

জয়পাড়া, ঢাকা

অপমান প্রতিরোধে

ক্রেতা-বিক্রেতা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কোন দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করাকে অর্থনীতির ভাষায় বাজার বলা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অমানবিক অবস্থা দেখা যায়। একজন ক্রেতা যদি কাপড় ক্রয় করতে আসে বা যায় তাহলে দেখা যায় বিক্রেতা তিন শ’ টাকার কাপড়ের মূল্য চায় বারো শ’ কিংবা তারও বেশি। দাম চাওয়ার পর ক্রেতার ওপর জোর চাপ চালিয়ে দেয় দাম বলার জন্য। ক্রেতা যদি ২০০ টাকা দাম বলে তখন বিক্রেতা ক্রেতাকে নানা ভাষায় অপমান করতে থাকে। তখন ক্রেতা লজ্জা পায়। এক্ষেত্রে বিক্রেতারা গ্রামের সহজ-সরল মানুষগুকে বেশি অপমান করে। আমার কথা হলো বারো শ’ টাকার কাপড় যদি তিন শ’ টাকায় বিক্রি করতে পারে তাহলে বিক্রেতা কতটুকু প্রতারক। বিক্রেতা যদি বারো শ’ টাকার মাল তিন শ’ টাকা বিক্রি করতে পারে তাকে কেমন অপমান করা দরকার।

সরকারের এ ব্যাপারে নজর দেয়া দরকার। বিক্রেতা দাম যা ইচ্ছা তা চাক ক্রেতাদের যা ইচ্ছা তা বলুক তাকে অপমান করা যাবে না। এ ব্যাপারে সরকার ভোক্তা অধিকার আইনে ক্রেতাদের সম্মানার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

হুমায়ুন কবীর খান

ভালুকা, ময়মনসিংহ

রাস্তাটির সংস্কার প্রয়োজন

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৪নং চুড়াইন ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বাজার থেকে শুরু করে পশ্চিম দিকে আনাবিল খালপাড় ঘেঁষে চৈরাহাটি পর্যন্ত যে রাস্তাটি রয়েছে, এই রাস্তাটি দীর্ঘ ৯ বছর ধরে সংস্কারবিহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে অথচ এই রাস্তাটি এ এলাকার আদি এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি ছোট রাস্তা। বর্তমানে রাস্তাটির বেশির ভাগ অংশই নদীগর্ভে। রাস্তাটি আগে প্রতিবছরই সংস্কার করা হতো, কারণ রাস্তাটি অনেক গ্রামের নিত্যপ্রয়োজনীয় রাস্তা। বর্তমানে এই রাস্তাটির ব্যাপারে সবার মুখে একটিই প্রশ্ন, কর্তৃপক্ষ এই রাস্তাটি কেন সংস্কার করছে না?

দিপু প্রামাণিক

ঢাকা

সাকার জন্য বিএনপির মায়াকান্না

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদ- উচ্চ আদালতে বহাল থাকায় বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলন করে তাদের হতাশা ও মনোবেদনার কথা জানিয়েছে। দলটির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জান রিপন সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন, সাকা চৌধুরী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার, তিনি ন্যায়বিচার পাননি, অন্যায়ভাবে এ রায় দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে এই রায়ে বিএনপির দোসর জামায়াতে ইসলামী তাদের স্বভাবজাত প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে, বিরোধীদলীয় দেশপ্রেমিক জাতীয় নেতাদের নিশ্চিহ্ন করার কৌশল হিসেবে সরকার সাকা চৌধুরীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

দেশের মানুষের কাছে সাকা চৌধুরী আজ ঘৃণিত মানুষের প্রতিকৃতি। বিএনপি সেই ঘৃণিত মানুষের জন্য প্রকাশ্যে হতাশা ও মনোবেদনা জানিয়ে গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিকভাবে তাদের দেউলিয়াত্বের চরম প্রকাশ করেছে। দেশের মানুষ আজ বিএনপিকে নিয়ে হতাশ।

ডাঃ পরিতোষ কর

মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ

শেখার আছে অনেক কিছু...

ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ড. এপিজে আবদুল কালাম ছিলেন প্রকৃত অর্থে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। পত্রিকার গ্রাহক থেকে রাষ্ট্রপতি হয়ে তিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ভারতবাসীকে। কথায় ও কাজে ছিলেন এক। দেশ ও মানুষের জন্য সারাজীবন উৎসর্গ করেছেন। ভারতের মিসাইলম্যান নামে খ্যাত আবদুল কালামকে নিয়ে রয়েছে নানা মানবিক গল্প। মিডিয়ার কল্যাণে সেসব গল্প আজ কিংবদন্তিতুল্য। তিনি কতটা মানবিক তারই একটি গল্প। একবার ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) একটি ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য চারদিকের দেয়ালে ভাঙ্গা কাঁচের টুকরো লাগাতে চেয়েছিলেন। এপিজে আবদুল কালাম তখন তাদের বললেন, বাড়ির সুরক্ষা দিতে দেয়ালে ভাঙ্গা কাঁচ লাগিয়ো না। পাখিরা সেখানে বসতে পারবে না। ভাঙ্গা কাঁচ পাখিদের জন্য ক্ষতিকর।

ভারতের মতো একটি বৃহৎ পরাশক্তির দেশের রাষ্ট্রপতি হয়ে তিনি নিরীহ পাখিদের কষ্টের কথা বুঝতে পেরেছিলেন। সত্যিই এসব আলোকিত মানুষের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।

এমএ সালেহ

নারিন্দা, ঢাকা