২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ধ্বংসাবশেষ নিখোঁজ মালয়েশীয় বিমানের

ভারত মহাসাগরে ফ্রান্সের মালিকানাধীন রিইউনিয়ন দ্বীপের সৈকতে খুঁজে পাওয়া ধ্বংসাবশেষটি বোন বায়িং বিমান ৭৭৭ এর অংশ হতে পারে। এ নিয়ে অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে মালয়েশিয়া। এর ফলে সেটি নিখোঁজ বিমান এএমএইচ ৩৭০ এর ধ্বংসাবশেষ হওয়ারই সম্ভাবনা বেড়ে গেল। কারণ এমএইচ ৩৭০ এর ওই ফ্লাইটে বোয়িং ৭৭৭ ছিল। এদিকে অস্ট্রেলিয়ার তল্লাশি কর্তৃপক্ষ শুক্রবার জানিয়েছে, ভারত মহাসাগরের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ থেকে প্রাপ্ত বিমানের ভগ্নাংশ যে এমএইচ-৩৭০-এরই- এ ব্যাপারে তাদের ‘আত্মবিশ্বাস বাড়ছে।’ বিমানের ভগ্নাংশটির শনাক্তকরণ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করা সম্ভব হবে। খবর এএফপি ও ওয়েবসাইটের।

ফরাসী পুলিশ জানিয়েছে, খুঁজে পাওয়া বিমানের টুকরোটি শীঘ্রই স্থানীয় ফ্রান্সের সামরিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। মালয়েশিয়ার বিমান তদন্ত দলের রিইউনিয়ন দ্বীপে পৌঁছানোর কথা। সমুদ্র সৈকতে ধ্বংসাবশেষটি খুঁজে পাওয়ার পর থেকে আলোচনায় চলে এসেছে রিইউনিয়ন দ্বীপ। সেখানকার ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পরামর্শক মারিয়া নোয়েলে লি নিভেত বলেন, অদ্ভুত লাগছে যে আমাদের ছোট্ট দ্বীপটির দিকে এখন বিশ্বের সবার নজর। মালয়েশিয়ার উপ-পরিবহনমন্ত্রী আবদুল আজিজ কাপরাউই বলেন, প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন যে খুঁজে পাওয়া পাখার মতো দেখতে অংশটি বোয়িং ৭৭৭ এর। তবে বোয়িং এ নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বিমানের নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শক গ্রেগ ফেইথ যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোরটেশন সেফটি বোর্ডকে বলেন, ওই ধ্বংসাবশেষটি বোয়িং ৭৭৭ এর। তবে এটি এমএইচ ৩৭০ এর ধ্বংসাবশেষ কি না, তা পরিষ্কার নয়।

সাগর-বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমএইচ ৩৭০ বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার জায়গা থেকে ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার জায়গাটি হাজার কিলোমিটার দূরে। রিইউনিয়ন দ্বীপের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, দেখে মনে হয় বিমানের ওই ধ্বংসাবশেষটি দীর্ঘদিন পানিতে ছিল। পরে ভাসতে ভাসতে সেটি সৈকতে এসে পৌঁছায়। ভারত মহাসাগরের বিস্তৃত এলাকায় বড় ধরনের আন্তর্জাতিক তল্লাশি অভিযান চালিয়েও এতদিন উড়ো জাহাজটির চিহ্ন মেলেনি। দুর্ঘটনা বা উধাও রহস্যেরও কোন কিনারা হয়নি। অস্ট্রেলিয়ার ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরোর প্রধান কমিশনার মার্টিন ডোলান বলেন, ‘এই ভগ্নাংশটি যে এমএইচ-৩৭০ বিমানেরইÑ এ ব্যাপারে আমাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাচ্ছে।‘ তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের ফরাসী ও মালয়েশীয় সহকর্মীদের নিয়ে প্রাপ্ত সকল তথ্য বিশ্লেষণ করে যাচ্ছি। আমরা এখনও এ ব্যাপারে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হতে পারিনি।