২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চট্টগ্রামে ফের পাহাড় ধসের আশঙ্কা

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রামের অভিজাত আবাসিক এলাকা খুলশী। উত্তর খুলশী, দক্ষিণ খুলশী ও পশ্চিম খুলশী নিয়ে এই খুলশী আবাসিক জোন। এই জোনের দক্ষিণ খুলশীর মুখে রয়েছে একটি বৃহৎ শিল্পীগোষ্ঠীর মালিকানার পাহাড়। পুরো পাহাড়টি আবাসিক প্লট করে বিক্রি করে দেয়া হয়েছে বহু আগে। সেখানে ইতোমধ্যে নির্মিত হয়েছে বহুতলা বিশিষ্ট অসংখ্য ভবন। এই পাহাড়ের পাদদেশের একটি সড়ক নিয়ে রয়েছে দক্ষিণ খুলশী আবাসিক এলাকা। এই আবাসিক এলাকার প্রায় ৪০ ফুট উঁচুতে পাহাড়টির অবস্থান। পাহাড়ের পশ্চিম অংশে ওই শিল্পীগোষ্ঠী পাহাড় রক্ষায় নির্মিত করেছে বেশ উঁচু দেয়াল। তবে পুরো নয়। দক্ষিণ খুলশী আবাসিক এলাকা প্রবেশ মুখ সংলগ্ন ওই পাহাড়ে নির্মিত হচ্ছে নতুন নতুন উঁচু তলার ভবন। ওই অংশে ইতোমধ্যে পাহাড় কাটার কারণে বিক্ষিপ্ত অংশে পাহাড় ধসের ঘটনাও ঘটেছে। বর্তমান বর্ষা মৌসুম আসার পর প্রশাসন চট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ যে ১৩টি পাহাড় চিহ্নিত করেছে এর মধ্যে এটি নেই। কিন্তু যে কোন মুহূর্তে পাহাড়টির শুরুর মুখের পশ্চিম অংশে বড় ধরনের ধস নামারসমূহ আশঙ্কা রয়েছে। পাহাড়টির পাদদেশের ভবন মালিকরা রয়েছে চরম ঝুঁকিতে। পরিবেশ অধিদফতর, সিটি কর্পোরেশন ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দিয়েও কোন কাজ হয়নি। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে এই পাহাড়ের পশ্চিম অংশের মাত্র দেড়শ ফুটের বিপরীতে বাস করেন পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক। তাকেও এই বিষয়ে জানানো হয়েছে। বর্তমানে পাহাড় চূড়ায় যে সব ভবন নির্মিত হচ্ছে তা পরিবেশ অধিদফতর অনুমতি দিয়েছে কিনা তাও অজ্ঞাত। চট্টগ্রামে এবার যে ভারিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে তাতে পাহাড় ধসের পাশাপাশি নিম্নাঞ্চলসহ বহু এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়গুলো পাদদেশ থেকে যাদের সরানো হয়েছে এরা বস্তিবাসী। কিন্তু যারা পাহাড় কাটছে এবং পাহাড় কেটে বস্তি এলাকা বানিয়ে ভাড়া দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেই। দক্ষিণ খুলশী এলাকায় চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠিত ওই শিল্পীগোষ্ঠীর মালিকানার পাহাড়টির বিভিন্ন অংশে মাটিকাটা চলছে ।