২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বর্ষায় মাছ ধরতে বাড়ে ডিঙ্গির কদর

নৌকার মাঝিরে..., পাল তুলে যারে- যা। ভাটিয়ালি সুরের এমন গান এখন আর কানে বাজে না। এক সময় যমুনার পাড়ে পাল তোলা বড় বড় নৌকা চোখে পড়েছে। কখনও দল ধরে গুন টেনে নৌকা টানতে দেখা গেছে। গুন গুন করে গান ধরেছে কোমরে গুন (দড়ি) বাঁধা নৌকার কামলারা। আবার নৌকার মাঝিও ভাটিয়ালি সুরে গান ধরেছে। বৃহত্তর চলনবিলের ভেতরে, বড়াল, ইছামতি, করতোয়া নদীসহ যমুনায় অসংখ্য ছোট-বড় নানা ধরনের নৌকা চলেছে। নৌকা বাইচও হয়েছে এসব নদীতে। এখন শিশু, কিশোর ও যুবকদের কাছে এসব শুধুই স্মৃতি, কল্পকাহিনী।

নৌকাবাইচে অংশ নিয়েছে কোষা নৌকা, হরঙ্গা, পানসি, ছিপসহ নানাজাতের নৌকা। এখন আর নদ-নদীতে আগের মতো পানি নেই। গ্রামে শৌখিন লোকজনও নেই। তাই নৌকাবাইচের প্রচলন তেমন নেই। নদীতে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় মালামাল ও যাত্রী পরিবহন করা হয়।

বর্ষা এলে চলনবিলসহ অভ্যন্তরীণ কিছু নদ-নদীতে পানি থৈ থৈ করে। খাল-বিল পানিতে ভরে যায়। গ্রামের মেঠো পথগুলোও পানির নিচে ডুবে যায়। বিলপাড়ের মানুষ চলাচলের জন্য ডিঙ্গি ব্যবহার করে। তাই এ সময়ে নৌকার কদর বাড়ে। এ কারণে বসে নেই ডিঙ্গি নৌকা তৈরির কাজে নিয়োজিত ব্যবসায়ী ও মিস্ত্রিরা। এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। আর এই ডিঙ্গি নৌকাকে ঘিরে চলনবিলের বিভিন্ন গ্রামে গড়ে উঠেছে নৌকার হাট। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চাঁচকৈর হাট, মির্জাপুর হাট, বিনসাড়া হাট, নওগাঁ ও ছাইকোলা হাট। শাহজাদপুরের হাট, বেলকুচির বড়ধুল হাট, কাজীপুরের সোনামুখী হাটেও ডিঙ্গি নৌকা বিক্রি হয়।

Ñবাবু ইসলাম, সিরাজগঞ্জ থেকে