২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বেতপট্টি টু সেনপাড়া অঘোষিত ট্রাক স্ট্যান্ড

মানিক সরকার মানিক, রংপুর ॥ রংপুর মহানগরীর অতি ব্যস্ততম বেতপট্টি মোড় থেকে পশ্চিমে সেনপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়কটির দূরত্ব মাত্র ৩শ’ মিটার। এক সময়ের আবাসিক এই এলাকাটিতেই রয়েছে যানবাহন নিয়ন্ত্রণকারী জেলা ট্রাফিক অফিস এবং কোতয়ালি থানা কার্যালয়। আছে, নগরীর নামকরা কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও দু’টি ভাষা শিক্ষার প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ-মন্দির। অথচ পুলিশের নাকের ডগায় বিধিবহির্ভূতভাবে এখানে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু ট্রান্সপোর্ট ও শতাধিক গোডাউন। ২৪ ঘণ্টা মালামাল ওঠানামার কারণে দিনরাত শতশত ট্রাক, কাভার্ড, পিকআপ, ঠেলা ও রিক্সা-ভ্যানের অবাধ যাতায়াতের কারণে এলাকাটি এখন স্কুল কলেজগামী প্রায় পঁচিশ হাজার ছাত্রছাত্রী ছাড়াও লাখো মানুষের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলেছেন, রাত ৮টার আগে নগরীতে ট্রাকের প্রবেশ নিষিদ্ধ হলেও পুলিশের নাকের ডগায় কী করে এসব ট্রাক আসা-যাওয়া করছে? তাদের অভিযোগ, নগরীর প্রবেশ মুখ মডার্ন মোড়ে পুলিশের তিন ধরনের ‘নো অবজেকশন টোকেন’ নিয়েই ট্রাকগুলো আসা-যাওয়া এবং অবস্থান করে থাকে।

উল্লেখিত এ সড়কটিতে রয়েছে রমনা ট্রান্সপোর্ট, সোনার বাংলা, মায়ের দোয়া, ইসলাম, নর্থ বেঙ্গল, কেরামতিয়া, উত্তরবঙ্গ, খাজা গরীবে নেওয়াজ, দিগন্ত, রাধা রানী, চান্দা, মালা, অলবেঙ্গলসহ অন্তত ১৫টি ট্রান্সপোর্ট। এসব ট্রান্সপোর্ট ছাড়াও পাশেই এ অঞ্চলের সবচে বৃহৎ পাইকারি বাজার ‘নবাবগঞ্জ বাজার’ এবং ব্যবসা প্রসিদ্ধ বেতপট্টির অবস্থান হওয়ায় এক সময়ের আবাসিক এই এলাকাটি এখন যেন পরিণত হয়েছে ‘রেলওয়ের মালখানা’। এসবে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাকে মাল লোড আনলোডের কাজ চলে। একই সঙ্গে ট্রান্সপোর্ট থেকে সেসব মালামাল বিভিন্ন ঠেলা-রিক্সা-ভ্যানে করে আনানেয়া করা হচ্ছে বাজারে। কোমলমতি শিশু কিশোর শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ট্রাক, পিকআপ, ঠেলা ও রিক্সা ভ্যানের ঘিঞ্জিকর ফাঁক গলিয়ে মরণ হাতের মুঠোয় নিয়ে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে আসা-যাওয়া করছে।