২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৪টি স্থানে অবরোধ, তীব্র যানজট

নিজস্ব সংবাদদাতা, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ॥ ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধের সরকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৪টি স্থানে সড়ক অবরোধ করেছে সিএনজি ও অটো রিকশার মালিক ও চালকরা। এ ছাড়াও তারা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনও পালন করেছে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে যান চলাচল শুরু হয়। নিষেধাজ্ঞা জারির পর শনিবার সকাল থেকেই মহাসড়কে চলাচলকারী সিএনজি ও অটোরিকশা ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। ফলে শনিবার বেলা ১১টায় ও দুপুর ১টায় তারা অবরোধ সৃষ্টি করে। এর আগে সকালে নারায়ণগঞ্জ শহরে শহরের চাষাঢ়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে অটো রিকশা চালক ও মালিকরা।

জানা গেছে, বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের সোনারগঁাঁয়ের কাঁচপুর ও মোগড়াপাড়া চৌরাস্তায়, বন্দরের কেওঢালা, সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে ও কাঁচপুর ব্রিজ এলাকায় সিএনজি ও অটোরিকশা চালক, মালিকরা মহাসড়ক অবরোধ সৃষ্টি করে বিক্ষোভ করে। তবে কিছুক্ষণ পরেই প্রতিবারই পুলিশ তাদেরকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। এ অবরোধের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কয়েক দফায় আধঘন্টার করে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে সড়কে যান চলাচল শুরু হয়। এ সময় কয়েকটি কয়েকটি যানবাহন ভাংচুরের খবর পাওয়া যায়। এদিকে বেলা সাড়ে ১২টায় আদমজী এলাকা থেকে একটি মিছিল নিয়ে সিএনজি ও অটোরিকশা চালক ও মালিকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে এসে সড়ক অবরোধ সৃষ্টি করে বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশী হস্তক্ষেপে তারা কাঁচপুর ব্রিজের ঢালে গিয়ে আবারও তারা রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদেরকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।

সিএনজি চালক ও মালিকদের অভিযোগ, সরকারের এই সিদ্ধান্তের কারণে আমরা বিপাকে পড়েছি। কারণ সিএনজি স্টেশনগুলোও মহাসড়কের পাশে। তাই গ্যাস নিতে হলেও আমাদের মহাসড়কে উঠতে হবে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে যেতে হলে আমাদেরকে মহাসড়কে উঠতেই হবে। তাই সরকারের এই সিদ্ধান্ত হঠকারিতা ছাড়া কিছুই নয়। তারা সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দেন তারা।

নারাযণগঞ্জ ট্রাফিক বিভাগের সহকারী পুলিশ সুপার বদরুল আলম জানায়, সিএনজি ও অটো রিকশা চালক ও মালিকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৪টি স্থানে আধঘন্টা র‌্যারিকেড দিয়েছিল। আমার গিয়ে তাদেরকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছি। কোন যানবাহন ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি।