২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মহেশখালীতে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপে সংঘর্ষ ॥ গুলিবিদ্ধ-৪, নিখোঁজ-১

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ কক্সবাজারের মহেশখালীতে লুট করা চিংড়ির ভাগ নিয়ে দুই সন্ত্রাসী গ্র“পের মধ্যে সংঘর্ষে ৪ সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ এবং ১জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের গোপনে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কেউ আটক হয়নি এখনও। শনিবার ভোরে হোয়ানক কেরুনতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এতে আহতরা হলেন, ইউনিয়নের মোহরাকাটা এলাকার আলী হোসেনের পুত্র জালাল উদ্দিন (২৬), নূর মোহাম্মদের পুত্র আলী আকবর (২৫) এবং কেরুনতলী এলাকার মৃত খলিলুর রহমানের পুত্র মঞ্জুর আলম (৪০) ও একই এলাকার মৃত শিহাব উদ্দীনের পুত্র নজরুল ইসলাম (৩৫)। এ ঘটনায় সেলিম উল্লাহ নামে এক ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিখোঁজ রয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সে ইউনুছ খালী এলাকার বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কেরুনতলী এলাকার মোস্তফা কামাল-ফেরদৌসের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের মধ্যে ডাকাতি ও লুটের চিংড়ি ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ওসময় উভয়পক্ষে গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটালে এতে ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়। দু’গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এলাকার থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কেরুনতলীতে দীর্ঘদিন ধরে চিংড়ি ঘের দখল-বেদখল নিয়ে সন্ত্রাসীদের মধ্যে লাগাতার সংঘর্ষ চলে আসছিল। এর আগে আহসান উল্ল্যাহ ও গুরাবাসী বাহিনীর হাতে মো: বকসু ও তার পুত্র জয়নাল নিহত হয়েছিল। ওই ঘটনার রেশ ধরে শনিবারের এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় চেয়ারম্যান এনামুল করিম জানান, ভূমিদস্যু মোস্তফা কামাল মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঘুষের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ গোপন করে অবৈধভাবে আনসার ক্যাম্প বসিয়ে চিংড়ি ঘের দখল করেছে। সেই সঙ্গে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদেরও লালন করে আসছে। এসব সন্ত্রাসীরা চিংড়িঘেরের মাছ লুটের ভাগাভাগি নিয়ে বন্দুকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি সাইকুল ইসলাম ভুঁইয়া জানান, দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তবে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।