২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে দক্ষতা উন্নয়নের উদ্যোগ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা দিচ্ছে এসএমই কম্পিটিটিভনেস গ্রান্ট স্কিম অব ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)। এজন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ এগ্রো-প্রোসেসরস এ্যাসোসিয়েশনের (বাপা)। এর অংশ হিসেবে ছয় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার রাজধানীর লালমাটিয়ায়, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউশনের (বিএসডিআই) পরামর্শক সহযোগিতায় ‘কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে’ সংশ্লিষ্ট সকলের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত ছয় দিনব্যাপী প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অর্ধ শতাধিক প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. আহসান খান চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই কনসাল্টেন সুকমল সিংহ চৌধুরী, বাপার সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দীন, বিএসডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ নূরুজ্জামান, বাপার উপদেষ্টা মোসলেম আলী, বাপার কোষাধ্যক্ষ এম ইকতাদুল হক ও মওলানা মোঃ আবু আহমদ।

বক্তারা বলেন, প্রশিক্ষণ ছাড়া কোন জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর একমাত্র হাতিয়ার হচ্ছে প্রশিক্ষণ। বাংলাদেশের মানুষ দূর দৃষ্টি সম্পন্ন, যে কোন কাজ একবার ধরিয়ে দিলে তা তারা শিক্ষা গ্রহণ করে ফেলে। যা পৃথিবীর কোন জাতির পক্ষেই সম্ভব না। এই দ্রুত শিক্ষা গ্রহণ করার ফলে এদেশের মানুষকে প্রশিক্ষিত জাতি হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব এবং সহজ। তারা বলেন, আজকে যারা শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য অংশগ্রহণ করেছেন। এদের মধ্য থেকে একদিন অনেকেই বড় ব্যবসায়ী হয়ে যাবেন। বক্তারা বলেন, আগ্রহ, চেষ্টা, পরিশ্রম এবং প্রচ- ইচ্ছা থাকলে একজন মানুষ অবশ্যই মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। মনের জোর থাকলে টাকা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় না। তাছাড়া ইচ্ছা শক্তির কাছে সবকিছু হার মেনে যায়।

তারা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সকল তফসিলী ব্যাংককে কৃষি ও এসএমই (ক্ষুদ্র ও মাঝারি শল্প) খাতে নির্ধারিত পরিমাণে ঋণ বিতরণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। কোন ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষিত ওই নির্ধারিত পরিমাণ ঋণ বিতরণ করতে না পারলে যে পরিমাণ ঋণ বিতরণ করা হয়নি তার ওপর ৩ শতাংশ হারে জরিমানা আদায় করার বিধান করেছে। সেই সঙ্গে কোন তফসিলী ব্যাংক কৃষি এবং এসএমই ঋণ বিতরণ করতে না চাইলে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানতে পারলে অথবা কোন ঋণ গ্রহীতা ঋণ না পেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে অভিযোগ করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সঙ্গে সঙ্গে ওই তফসিলী ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি সহজ হবে।