২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কাজে বাধা এলে দল ছাড়ার কথা ভাবব ॥ রূপা গাঙ্গুলী

  • ত্রাণ নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বান মমতার

ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে বৃহস্পতিবার ত্রাণ দিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন বিজেপি নেত্রী রূপা গাঙ্গুলী। তবে সেই বিক্ষোভে কোন ঝা-া না থাকলেও অভিযোগের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে শাসক দলকেই। ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী জানালেন, ত্রাণ ঘিরে কেউ যেন রাজনীতি না করেন। বিপন্ন মানুষদের ত্রাণের ব্যবস্থা রাজ্য সরকারই করবে। খবর আনন্দবাজার অনলাইনের।

মুখ্যমন্ত্রীর এ ঘোষণার পেছনে অবশ্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যই দেখছেন বিরোধীরা। তাদের একাংশের মতে, নিজের উদ্যোগে ত্রাণ নিয়ে আরও কিছু বিপন্ন এলাকায় যাবেন বলে ঠিক করে রেখেছেন অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসা রূপা। তার সেই যাত্রা ভঙ্গ করতেই লন্ডন থেকে ফিরে মুখ্যমন্ত্রী ‘রাজনীতি না-করা’র আবেদন জানালেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে রূপার পাশে দাঁডায়নি তার নিজের দলই। হাবরা-অশোকনগরের ঝড়-বিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবারই ধাক্কাধাক্কি, গালিগালাজ হজম করে ফিরতে হয়েছিল রূপাকে। পরে তার নামে হার ছিনতাই এবং মারধরের অভিযোগও থানায় জমা পড়েছে! শুক্রবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহ বলেন, ‘রূপা গাঙ্গুলী আমাকে বা দলের রাজ্য কমিটিকে জানিয়ে হাবরা যাননি। ওই সফরে দলীয় পতাকাও ব্যবহার হয়নি। তবে বিজেপি কর্মীদের ব্যবহার করা হয়েছে। এটা ঠিক নয়।’ বৃহস্পতিবার রূপা যেখানে ত্রাণ দিতে গিয়েছিলেন, শনিবার সেখানেই পাল্টা প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছেন রাহুল গান্ধী! দলের রাজ্য সভাপতির এ মন্তব্যে যথেষ্ট ‘অপমানিত’ রূপা প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও তার ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে বলা হয়েছে, এভাবে তার কাজের রাশ টেনে ধরা হলে তিনি দল ছেড়ে দেয়ার কথা ভাববেন।

কিউবার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিন ॥ হিলারি

মার্কিন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন কিউবার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার ফ্লোরিডার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে দেয়া এক ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান। খবর ওয়েবসাইটের।

ভাষণে হিলারি বলেন, ‘কিউবার নিষেধাজ্ঞা চিরতরে তুলে দেয়া উচিত।’

মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি ক্লিনটন এই নিষেধাজ্ঞা অবসানের আহ্বান জানান। ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমক্রেটিক পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী হিলারি বলেন, ওই নির্বাচনে তিনি জয়ী হলে কিউবার সঙ্গে বড় পরিসরে সম্পর্ক স্থাপনে নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। হিলারি বলেন, মিয়ামিতে বসবাসকারী কিউবার নির্বাসিত সম্প্রদায়ের একটি অংশ কেন এই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার ব্যাপারে সন্দিহান এবং পুনরায় কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করছে তা আমি বুঝতে পারি।

তিনি আরও বলেন, ‘সম্পর্ক স্থাপন নাকি নিষেধাজ্ঞা, মুক্ত চিন্তা নাকি স্নায়ু যুদ্ধের অচলাবস্থায় ফিরে যাওয়া, এসব ব্যাপারে আমাদের অবশ্যই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’