২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অসমাপ্ত আত্মজীবনী জাপানী ভাষায় অনূদিত

কূটনৈতিক রিপোর্টার ॥ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাড়া জাগানো স্মৃতিকথা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ জাপানী ভাষায় অনূদিত হয়েছে। জাপানের খ্যাতনামা প্রকাশনা সংস্থা আশাহি সোতেন ‘দি আনফিনিশড মেমোরিজ’ নামে জাপানী ভাষায় বইটির অনুবাদ করেছে। জাপানী ভাষায় ছয় শ’ পৃষ্ঠার বইটি অনুবাদ করেছেন জাপানের প্রখ্যাত গণমাধ্যম এনএইচকের বাংলা বিভাগে কর্মরত কাজুহিরো ওয়াতানাবে। শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বইটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেয়ার জন্য শুক্রবার ওয়াতানাবে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। আজ রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে অনূদিত বইটি তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করবেন। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত থাকবেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অসমাপ্ত আত্মজীবনী জাপানী ভাষায় অনুবাদের ফলে জাপানের আপামর জনতা বঙ্গবন্ধুকে জানতে পারবেন, তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও ভাবনাগুলো থেকে বাংলাদেশের মানুষ সম্পর্কেও অবগত হতে পারবেন। এই বইটি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে যোগাযোগের সেতুবন্ধন হিসাবে কাজ করবে এবং দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাপানী অনুবাদক কাজুহিরো ওয়াতানাবে একজন যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষ। জাপানের জাতীয় গণমাধ্যম এনএইচকের রেডিও শাখায় বাংলা বিভাগে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রকৃত বন্ধু হিসাবে কাজ করছেন। টোকিওতে তিনি জাপান-বাংলাদেশ সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। জাপানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় বাংলা ভাষা এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে সেই দেশের জনগণকে অবহিত করতে তিনি নিরলস শ্রম দিচ্ছেন। তিনি প্রয়াত তাকাশি হায়াকাওয়ার লেখা ‘বাংগুরাদেশু তোনো দেয়াই’ বইয়ের বাংলা সংস্করণ ‘আমার বাংলাদেশ’ এবং তাদামাসা ফুকিউরার লেখা ‘চি তো দোরো তো’ বইয়ের বাংলা সংস্করণ ‘রক্ত ও কাদা ১৯৭১’ প্রকাশ করেন।

সাময়িক বরখাস্তের আদেশ থেকে অব্যাহতি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর মানিকনগর মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক একরাম হোসেন সাময়িক বরখাস্তের আদেশ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে কাম্য অভিজ্ঞতা না থাকায় নিম্ন স্কেলে বেতনভাতা গ্রহণ করায় জনবল কাঠামো ২০১০ এর ১১ (খ) অনুচ্ছেদ মোতাবেক ২০০৯ সালের ৬ ডিসেম্বর আপীলটি নিষ্পত্তিপূর্বক মানিকনগর মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক একরাম হোসেনকে ১ নম্বর অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।