২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অতিবর্ষণ ॥ আমতলীতে সবজির দাম বেড়ে দ্বিগুণ

নিজস্ব সংবাদদাতা, আমতলী (বরগুনা), ১ আগস্ট ॥ অতিবর্ষণে আমতলী ও তালতলী উপজেলায় সবজির দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জলাবদ্ধতায় ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় সবজির গাছ পচে গেছে। ফলে বাজারে সবজির প্রচুর সঙ্ককট রয়েছে। চাহিদার তুলনায় যোগান কম। এ সুবাদে ব্যবসায়ীরা দ্বিগুণ দামে সবজি বিক্রি করছে। ক্রেতারা কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। সবজি চাষীদের হয়েছে সর্বনাশ।

জানা গেছে, আমতলী ও তালতলী উপজেলায় এ বছরে সবজির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৩৫ হেক্টর। বছরের শুরুতে সবজির ভাল ফলন হয়েছিল। দামও ছিল ক্রেতার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অতিবর্ষণে জলাবদ্ধতার কারণে সবজির ক্ষেত পচে গেছে। তেমন ফসল পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারে সবজির সঙ্কট ও উত্তরাঞ্চল থেকে তেমন সবজি না আসায় দাম কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে জলাবদ্ধতার কারণে সবজিক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় গাছ পচে গেছে। এতে চাষীদের ব্যাপক সর্বনাশ দেখা দিয়েছে। কাউনিয়া গ্রামের কৃষক জামাল হোসেন জানান, এ বছর তিন বিঘা জমিতে সবজি চাষ করেছিলাম। কিন্তু বৃষ্টিতে ক্ষেতের গাছ পচে গেছে। কিছ ুগাছ বেঁচে থাকলেও তাতে তেমন ফলন হচ্ছে না। তিনি আরও জানান, এ বছর যে টাকা খরচ হয়েছে ওই পরিমাণ টাকা আয় হয়নি। শুক্রবার আমতলী বাঁধঘাট ও তালুকদার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, করলা ৫০-৬০, ঝিঙ্গা ৫০-৬০, ঢেঁড়স ৬০, মিনা ৫০-৬০, বরবটি ৪৫-৫০, মিষ্টি কুমড়া, ৩০, কচু ৩৫, পোটল ৪৫-৫০, কাঁচামরিচ ১০০-১২০ ও রেখা ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ সবজি একমাস পূর্বেও অর্ধেক দামে বিক্রি হয়েছে। ক্রেতা পরিতোষ কর্মকার জানান, বাজারে সবজির সঙ্কট থাকায় দাম কয়েকগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে করলা ৬০, ঝিঙ্গা ৫৫ ও কাঁচামরিচ ১২০ টাকা কেজি দরে কিনতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, একমাস পূর্বে এ সবজি অর্ধেক মূল্যে কিনেছি।

শরীয়তপুরে সেই শিক্ষককে রক্ষা করতে অধ্যক্ষের দৌড়ঝাঁপ

নিজস্ব সংবাদদাতা, শরীয়তপুর, ১ আগস্ট ॥ শরীয়তপুরে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, শিক্ষক বরখাস্ত শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে তোলপাড় শুরু হয়েছে। শনিবার দৈনিক জনকণ্ঠে সংবাদ প্রকাশিত হলে উপজেলা ও জেলা প্রশাসন থেকে বিষয়টি খোঁজ খবর নেয়া শুরু হয়েছে।

এদিকে ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনকারী শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার শহীদ সিরাজ সিকদার কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক সেলিম হোসেনকে রক্ষা করতে কলেজের অধ্যক্ষ দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরিতে বহাল রাখতে কলেজের অধ্যক্ষ মজিবুল হক নানা কুটকৌশল চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয় জানতে চাইলে কলেজের অধ্যক্ষ মজিবুল হক উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং এটি কলেজের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে দাবি করেন। এদিকে অভিযোগের বিষয় তদন্ত করার জন্য কলেজের গবর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কবির হোসেনকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রধান কবির হোসেন জানান, ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং তদন্ত প্রতিবেদনে তা উল্লেখ করা হয়েছে।