২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চট্টগ্রামে বিজিএমইএর এ্যাপারেল এ্যান্ড সেফটি এক্সপো

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ রাজনৈতিক সহিংসতায় দেশের ইমেজ নষ্ট হয়েছে। তা পুনরুদ্ধার ও দেশের ব্রান্ডিং করতে দেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ আয়োজন করেছে ‘বাংলাদেশ এ্যাপারেল সেফটি এ্যান্ড এক্সপো-২০১৫’। আগামী ০৬ আগস্ট থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত চট্টগ্রাম র‌্যাডিসন হোটেলে এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করতেই হবে দেশের অর্থনীতির স্বার্থে। এজন্য জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। না হয় দেশের ব্রান্ডিং করা সম্ভব হবে না। আতিকুল ইসলাম বলেন, পোশাক শিল্প এখন জাতীয় অর্থনীতির মেরুদ- হিসেবে দাঁড়িয়েছে। প্রতিটি নাগরিককে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করা দরকার। বোঝা উচিত জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদান কেমন।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারে বিজিএমইএ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মোঃ শহীদুল্লাহ আজীম, সহ-সভাপতি (অর্থ) রিয়াজ বিন মাহমুদ (সুমন) ও সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ। বিজিএমইএ সভাপতি জানান, ২০২১ সালের মধ্যে পোশাক শিল্পে রফতানি আয় ৫০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য অর্জন করতে এর আগে অনুষ্ঠিত এ্যাপারেল সামিটে বেশ কিছু পরামর্শ এসেছিল। এরসঙ্গে বিদেশী বিশেষজ্ঞদেরও বেশ কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। এসব গুছিয়ে বিজিএমইএ একটি ‘রোডম্যাপ’ তৈরি করবে। চট্টগ্রামের প্রদর্শনী শেষে সরকারের কাছে লিখিত আকারের এই ‘রোডম্যাপ’ প্রস্তাবনা দেয়া হবে বলে জানান তিনি। আতিকুল ইসলাম বলেন, পোশাক শিল্পের সূতিকাগার বন্দর নগরী চট্টগ্রাম। যা দেশের প্রধান প্রবেশদ্বার।

রফতানি-আমদানির ৯৫ শতাংশই চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভর করে। তাই বিজিএমইএ এই প্রদর্শনী চট্টগ্রামে আয়োজন করছে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে পোশাক খাতের রফতানি আয় ৫০ বিলিয়ন করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে ৪টি সেমিনার হবে এই প্রদর্শনীতে। এছাড়া তৈরি পোশাকের ১৭টি, মেশিনারির ১৮টি ও অগ্নি নিরাপত্তা সামগ্রীর ২৫টিসহ মোট ৭৩টি স্টল থাকবে এতে। বিশ্বের খ্যাতনামা প্রায় সব ব্র্যান্ড, বিশেষজ্ঞ, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকগণ প্রদর্শনীতে আসবেন বলে জানান বিজিএমইএ সভাপতি।