২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চীন-মৈত্রী সেতু টোল প্রত্যাহারের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচী চলছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বুড়িগঙ্গা প্রথম সেতুর (চীন-মৈত্রী সেতু) টোল প্রত্যাহারের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো অবরোধ কর্মসূচীর কারণে রবিবারও সকাল থেকে সেতুতে সব ধরনের যানচলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। দাবি আদায়ে সেতুতে চলাচলকারী বাস, ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিক্সাসহ সব ধরনের যানবাহনের চালক, শ্রমিক ও মালিকরা সকাল থেকে সেতুর ওপর অবস্থান নিলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এতে রাজধানী ঢাকা থেকে খুলনা, বরিশাল, মুন্সীগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ রুটে যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। দক্ষিণাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা বিভিন্ন পরিবহন পার হতে না পেরে সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থান নেয়। এতে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে সৃষ্টি হয় যানজটের।

বাংলাদেশ আন্তঃজেলা ট্রাকচালক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ও বুড়িগঙ্গা প্রথম সেতু টোলমুক্ত সংগ্রাম পরিষদের উপদেষ্টা মোঃ আদম আলী বলেন, ‘বুড়িগঙ্গা প্রথম সেতু করা হয়েছে ১৯৮৮ সালে। দ্বিতীয় সেতু হয়েছে ১৯৯৬ সালে। দুই বছর আগে দ্বিতীয় সেতুটি টোলমুক্ত করা হলেও প্রথম সেতুর টোল দিন দিন বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

প্রথম সেতু টোলমুক্ত সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ইমদাদুল হক দাদন বলেন, এখন আমরা ৩৬ ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচী ঘোষণা করেছি। এতে কাজ না হলে সবাইকে নিয়ে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচী পালন করা হবে। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল ৮টা থেকে সেতুতে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী তারেক ইকবাল বলেন, ‘সরকার সারাদেশে সেতুগুলোর টোলের নতুন নীতিমালা করেছে। সেখানে প্রথম বুড়িগঙ্গা সেতুর মানও নির্ধারিত হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী এই সেতুর নতুন টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। টোল বাড়া ইস্যুকে কেন্দ্র করে অনেকে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছেন। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুসারে টোল আদায় করা হচ্ছে। বাড়তি কোন টোল আদায় করা হচ্ছে না। জনপ্রতিনিধিরা যদি সরকারের কাছে আবেদন জানান, তাহলে দ্বিতীয় সেতুর মতো এ সেতুর টোলও সরকার ফ্রি করে দিতে পারে। আমরা বর্তমান আন্দোলনকারীদের দাবিদাওয়া উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।