২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পশ্চিমবঙ্গে বন্যায় ১৪ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক॥ বেশির ভাগ জায়গায় বৃষ্টি বন্ধ হলেও বাধগুলো থেকে পানি ছাড়ায় পশ্চিমবঙ্গে এবার বন্যা দেখা দিয়েছে। অব্যাহত দুর্যোগের জেরে মৃত্যুও। কোথাও বজ্রপাতে, কোথাও দেওয়াল চাপা পড়ে, কোথাও জলে ডুবে শনিবার রাত থেকে রবিবার বিকেল পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। প্লাবিত জেলাগুলিতে সব্জি চাষ আগেই নষ্ট হয়ে গেছে। ধান চাষেও আর আশা দেখছেন না চাষিরা। যথারীতি সর্বত্রই ত্রাণ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে দুর্গতদের।

রামকৃষ্ণ মিশন জানিয়েছে, গত ২৬ জুলাই থেকে তারা ব্যাপক ভাবে বন্যাত্রাণে কাজ শুরু করেছে। মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া জেলায় প্রাথমিক ত্রাণকার্য চালানো হচ্ছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় প্লাবিত অঞ্চলগুলিতেও ত্রাণকার্যে পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

বন্যার কারণে ছুটির দিনেও হঠাৎই রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতরে ঢুকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং সেই যে ঢুকলেন, গভীর রাত পর্যন্ত আর বেরোনোর নাম নেই! আমলা থেকে পুলিশ, সক্কলে তটস্থ! মুখ্যমন্ত্রী নাকি নবান্নেই রাত্রিবাস করবেন! রাত জেগে নজর রাখবেন বন্যা পরিস্থিতি এবং জলাধার থেকে জল ছাড়ার উপরে। মুখ্যমন্ত্রী বলে রেখেছেন, ‘সারা রাত একসঙ্গে কাজ করব!

জলমগ্ন কলকাতার মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিও মমতার কড়া নির্দেশ, রাতভর থাকতে হবে পুরসভার সদর দফতরে। ফলে দিদির সঙ্গে সদ্য লন্ডন-ফেরত মেয়রও ঘাঁটি গেড়ে ফেলেছেন পুরসভার লাল বাড়িতে। সঙ্গে আছেন মেয়র পারিষদ এবং পুলিশের বড় কর্তারা। যদিও কলকাতায় এ দিন তেমন কিছু বৃষ্টি হয়নি, জলাধারের জলে প্লাবিত হওয়ারও ব্যাপার নেই। তবু দিদির নির্দেশে কোথায় কেমন পাম্প চালিয়ে জল নামানোর ব্যবস্থা হচ্ছে, সে দিকে কড়া নজর রাখছেন কলকাতার প্রথম নাগরিক। নিকটাত্মীয়ের বিবাহ অনুষ্ঠানেও যেতে পারেননি!

সূত্র: আনন্দবাজার