১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জুলাইয়ে ১৩৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে প্রবাসী আয় কমেছে। এ মাসে প্রবাসীরা ১৩৮ কোটি ৭০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। যা আগের মাস জুনের চেয়ে প্রায় ৫ কোটি ডলার কম। আর গেল অর্থবছরের জুলাইয়ের চেয়ে সাড়ে ১০ কোটি ডলার কম। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ঈদের আগে প্রবাসীরা তাদের পরিবার পরিজনের কাছে বেশি অর্থ পাঠায়। এবারও তার খুব ব্যতিক্রম হয়েছে তা নয়। কারণ রোজা ও ঈদের কারণে জুন মাসে বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। জুলাইয়ের ১৭ তারিখ পর্যন্তও রেমিট্যান্স আয়ে উর্ধগতি অব্যাহত ছিল। কিন্তু ঈদের পরবর্তী দিনগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহের গতি কিছুটা কমেছে। গেল অর্থবছরের শেষ মাস জুনে প্রবাসীরা ১৪৩ কোটি ৯৩ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। যা একক মাস হিসেবে এ যাবতকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ। ঈদ উপলক্ষে গেল অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইতে রেকর্ড ১৪৮ কোটি ২৩ লাখ ৯০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠান প্রবাসীরা। যা একক মাস হিসেবে এখনও বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একক মাস হিসেবে দেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আছে ২০১২ সালের অক্টোবর মাসে। ঐ মাসে ১৪৫ কোটি ৩৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, গেল ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রথমবার প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেড় হাজার কোটি ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। গেল অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৩০ কোটি ৯৩ লাখ ডলার। যা ২০১৩-১৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। এছাড়া এটি এক অর্থবছরের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর আগে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে ২০১২-১৩ অর্থবছরে। ওই অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৪৪৬ কোটি ১১ লাখ ডলার। এদিকে, প্রবাসী আয়ের ওপর ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও বড় উলম্ফন ঘটছে। গত ২৫ জুন প্রথমবার রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন (২ হাজার ৫০০ কোটি) ডলারের নতুন মাইলফলকে পৌঁছায়।