১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

১১ দিনেও চালু হয়নি ভোলা-লক্ষীপুর ফেরীসার্ভিস

১১ দিনেও চালু হয়নি ভোলা-লক্ষীপুর ফেরীসার্ভিস

নিজম্ব সংবাদদাতা, ভোলা ॥ ভোলা ইলিশা ফেরিঘাট সড়ক মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাওয়ায় ১১ দিন ধরে ভোলা-লক্ষীপুর রুটের ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় কয়েক কোটি কোটি টাকা লোকসানের মুখে পড়েছে ভোলার ব্যবসায়ীরা। দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ১৬ জেলার সাথে বন্দর নগরী চট্রোগ্রামের সহজ যোগাযোগের মাধ্যম ইলিশা ফেরিঘাটের রাস্তা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে প্রতিদিন নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য আনা নেয়া করতে না পারায় মারাতœক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন দেশের সর্ব বৃহৎ দ্বীপের ব্যবসয়াীরা। এছাড়াও ভোলা থেকে চট্রোগ্রাম নোয়াখালীগামী সাধারন যাত্রীরাও পরেছেন চরম ভোগান্তির মধ্যে। এরফলে চট্রোগ্রামের সাথে সড়ক যোগাযোগে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে ফেরী চলাচল বন্ধ থাকায় বিকল্প ব্যবস্থায় ভোলা-বরিশাল রুট দিয়ে বরিশাল হয়ে ৩ শতাধিক কিলোমিটার ঘুরে অন্যজেলায় পরিবহন করা হচ্ছে কাঁচামালসহ বিভিন্ন মালামাল। এতে একদিকে যেমন কাঁচামাল নষ্ট হয়ে,তেমনি অতিরিক্ত সময় লাগার পাশাপাশি দ্বিগুন ভাড়া গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এর ফলে রড টিনের দাম বেড়ে গেছে। যে কারনে কিছুতেই ক্ষতি পুশিয়ে উঠতে পারছেনা ব্যবসায়ীরা। এদিকে ভোলা-লক্ষীপুর ফেরি চলাচল বন্ধ হওয়ার ২ দিন পরে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক পরিদর্শনে এসে দ্রুত ফেরীঘাট স্থানান্তর করে ৭ দিনের মধ্যে ফেরী চালুর আশ্বাস দেন । কিন্তু ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও চালু হয়নি ফেরী। তবে বিআইডব্লিউটিএ ঠিকাদার ইয়ানুর রহমান বিপ্লব মোল্লা জানান,কোমেনের কারনে তাদের কাজ ২ দিন বন্ধ ছিলো। এখন তারা রাত দিন কাজ করছে।

এ ব্যাপারে বরিশাল বিআইডব্লিটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী শাহ নেওয়াজ কবির বলেন, খুব দ্রুত চালু ফেরী চালুর আশ্বাস দেন। তার মতে ২ দিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে।