১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পাঁচ বছরে দ্বিগুণ রেমিটেন্স সংগ্রহ করেছে রূপালী ব্যাংক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ গত পাঁচ বছরে প্রায় দ্বিগুণ রেমিটেন্স সংগ্রহ করেছে রূপালী ব্যাংক। অধিক হারে রেমিটেন্স সংগ্রহের কারণে রূপালী ব্যাংকের গ্রাহক ‘বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিটেন্স এ্যাওয়ার্ড-২০১৪’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকের ৫৪৬টি শাখা থেকে গ্রাহকদের অনলাইনে রেমিটেন্স প্রদান করা হচ্ছে। বিদেশে ৩৫টি নাম করা এক্সচেঞ্জ কোম্পানির সঙ্গে ড্রয়িং এ্যারেজমেন্টের মাধ্যমে রেমিটেন্স আসছে রূপালী ব্যাংকে।

এ প্রসঙ্গে রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. ফরিদ উদ্দিন বলেন, রেমিটেন্স ব্যবসা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশে-বিদেশে নানাভাবে প্রচার চালানো হচ্ছে। অনলাইন সফটওয়্যার চালুসহ বিশ্বের যেসব দেশ থেকে বাংলাদেশে অধিক পরিমাণে রেমিটেন্স আসছে ওইসব দেশের এক্সচেঞ্জ হাউজের সঙ্গে ইএফটি ড্রয়িং এ্যারেঞ্জমেন্ট করা হচ্ছে। আগের তুলনায় সেবার মান বাড়ানো হয়েছে। ইতোমধ্যে সর্বাধিক রেমিটেন্স গ্রহীতাদের পুরস্কার দেয়া হচ্ছে। দেশ-বিদেশে রেমিটেন্স মেলা করাসহ একাধিক যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি রূপালী ব্যাংক ইতোমধ্যে সৌদি আরবের আল রাজী ব্যাংক, আলামোদি এক্সচেঞ্জ, আরব-আমিরাতে ইউএই এক্সচেঞ্জ, আল আনসারী ক্যাশ, এক্সপ্রেস মানি, ফ্রান্সে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন যুক্তরাষ্ট্রে রিয়া ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ট্রান্সফাস্ট রেমিটেন্স, প্রভু মানি ট্যান্সফার, প্লাসিড এক্সপ্রেস এবং কুয়েতে বাহারাইন এক্সচেঞ্জ আলমোল্লা ইন্টারন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ, বাহারাইনে জেঞ্জ এক্সচেঞ্জ, যুক্তরাজ্যে ব্রাক স্বজন, স্পেনে এনইসি এক্সচেঞ্জসহ বিশ্বের নামী-দামী একাধিক এক্সচেঞ্জ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি রয়েছে। ফলেই ব্যাংকের রেমিটেন্স সংগ্রহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে আমি বিশ্বাস করি।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত পাঁচ বছরের তথ্য অনুযায়ী ২০১০ সালে রূপালী ব্যাংকে ৭৮৮ কোটি টাকা রেমিটেন্স এসেছে। ২০১১ সালে ৬৭২ কোটি, ২০১২ সালে ৯৫৯ কোটি, ২০১৩ সালে ১ হাজার ৮৭ কোটি, ২০১৪ সালে রেমিটেন্স আসে ১ হাজার ৪৩৯ কোটি এবং ২০১৫ সালের প্রথম (জানুয়ারি-জুন) পর্যন্ত ৯৭২ কোটি টাকা রেমিটেন্স সংগ্রহ হয়। গত পাঁচ বছরে প্রায় দ্বিগুণ রেমিটেন্স সংগ্রহ করা হয়েছে এ ব্যাংকের মাধ্যমে।

ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে বিভিন্ন দেশে রূপালী ব্যাংকের ১৮টি এক্সচেঞ্জ হাউস কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি ছিল। ২০১২ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ২৫টিতে। সর্বশেষ ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত এক্সচেঞ্জ হাউসের সঙ্গে চুক্তি বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫টিতে পৌঁছায়।