২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দ্বিতীয় মহানন্দা সেতু কাজে লাগছে না

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ মাত্র একটি কালভার্টের অভাবে সেতুটি ব্যবহার করতে পারছে না বিশাল চরাঞ্চলের মানুষ। কোন কাজে আসছে না সেতুটি। ত্রিশ মিনিটের পথ পার হতে সময় নিচ্ছে ১২০ মিনিট। এই অবস্থা হতে অব্যাহতি পেতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে নির্মিত হয়েছে দ্বিতীয় মহানন্দা সেতু। কিন্তু একটি কালভাটের অভাবে তা হচ্ছে না।

প্রায় ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে জরুরী ভিত্তিতে নির্মাণ করা দ্বিতীয় মহানন্দা শেখ হাসিনা সেতুটি কোন কাজে আসছে না। চরাঞ্চলের সাত লাখ মানুষের প্রাণের দাবি মেনে নিয়ে স্বপ্নের দ্বিতীয় মহানন্দা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করা হয় মাত্র দুই বছরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের মধ্য দিনে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। সেতুটির অবস্থান চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নতুন হাট সংলগ্ন মিরের খৈলান হয়ে শুরু অপর অংশ গিয়ে মিলেছে ইসলামপুর ইউনিয়নে। এখান থেকে এগিয়ে সামনের দিকে পাঁচ কিলোমিটারের মাথায় হায়াতপুর মোড়ে খড়িতলা দাড়া। খুবই গভীর ক্যানেল। দ্বিতীয় মহানন্দা সেতুকে দিয়াড়ের চরাঞ্চলের সাত ইউনিয়নকে সংযোগ দেয়ার জন্য খড়িতলাদাড়ার ওপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ অনেক আগে কালভার্ট নির্মাণের কাজ শুরু করে।

আশ্চর্যের ব্যাপার দুই বছরে দ্বিতীয় মহানন্দা সেতুর কাজ শেষ হলেও তার আগে শুরু এই ছোট কালভার্টটির নির্মাণ কাজ আজও শেষ হয়নি। অথচও বার বার নানাভাবে তাগিদ দেয়া হয়েছে কালভার্টটির নির্মাণ কাজ শেষ করতে। কিন্তু স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগ দুই কোটি ৩২ লাখ টাকার আগাম বরাদ্দ পেলেও অজ্ঞাত কারণে ফেলে রেখেছে নির্মাণাধীন কালভার্টটির কাজ শেষ না হওয়ার কারণে দ্বিতীয় মহানন্দা সেতু কোন কাজে আসছে না।

নেত্রকোনায় শিশু হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

নিজস্ব সংবাদদাতা, নেত্রকোনা, ৪ আগস্ট ॥ চার মাসের শিশুকে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদ- এবং অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদ- দেয়া হয়। দ-িত আসামির আল-আমীন (২১)। তার বাড়ি কেন্দুয়া উপজেলার মগড়াইল গ্রামে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত দায়রা জজ আব্দুল হামিদ এ রায় দেন। রায়ের বিবরণে বলা হয়, ২০০৭ সালের ৯ মে দুপুরে মগড়াইল গ্রামের নাদু ফকিরের স্ত্রী পারভীন আক্তার তার দুই শিশুসন্তান সোবহাল ও রিজাকে নিয়ে প্রতিবেশী আব্দুল কদ্দুসের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করছিলেন। এ সময় একই গ্রামের মতিউর রহমান ওরফে বিনোদ আলী ফকিরের ছেলে আল-আমীন পূর্ব বিরোধের জের ধরে শিশু রিজাকে পায়ের গোছায় ধরে একটি খাটের মধ্যে দুই-তিনবার আছড়ে মারে।