২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রাজশাহীতে সাত শ’ হেক্টর জমির সবজি পানির তলে

  • কৃষক দিশেহারা

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ক্ষেতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন রাজশাহীর সবজি চাষিরা। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে জেলার প্রায় ৭০০ হেক্টর জমির সবজিক্ষেত নষ্ট হয়েছে টানা বৃষ্টিপাতে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, এবার জেলায় ৮ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমিতে সবজির চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ৭০০ হেক্টর সবজিক্ষেত সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টিতে আরও অনেক সবজিক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে। ফলে বাজারে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। এজন্য দামও বেড়ে গেছে। জেলার মোহনপুর ও পবা উপজেলায় সবচেয়ে সবজির চাষাবাদ হয়। মোহনপুরের লওপাড়া গ্রামের নান্টু সরদার জানান, তিনি ১০ কাঠা জমিতে মরিচ, ১০ কাঠায় পটল ও ৬ কাঠায় ঝিঙা চাষ করেছিলেন। বৃষ্টি শুরুর আগে প্র্রতি সপ্তাহে জমি থেকে দুই থেকে আড়াই মণ মরিচ, পাঁচ থেকে ছয় মণ পটল ও দুই মণ ঝিঙা উঠাতেন। তবে টানা বৃষ্টিতে সব মরিচগাছ মরে গেছে। ঝিঙা ও পটলের গাছও নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি জানান, ক্ষেতে জলাবদ্ধতার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। নান্টু সরকার বলেন, বৃষ্টি তাঁর সর্বনাশ করে গেছে। যখন জমিতে মরিচ উঠতে শুরু করেছিল, তখন তারা পাইকারি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করেছেন। এখন সেই মরিচ পাইকারি এক হাজার টাকারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে অথচ মরিচ নেই ক্ষেতে।

তার মতো একই অবস্থা মোহনপুর ও পবা উপজেলার সবজি চাষিদের। তারা পটল, লাউ ও শিমের চাষ করেছিলেন। তবে বৃষ্টিতে লাউয়ের মাচা ভেঙে ধানের জন্য জমি তৈরি করছেন। তিনি বলেন, শিমের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে না গেলেও বৃষ্টিতে শিমের সব ফুল নষ্ট হয়ে গেছে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আহাম্মেদ শফী বলেন, বছরের এই সময়টাতে এমনিতেই সবজির সরবরাহ কম থাকে।

যশোরে কোচিংয়ে গিয়ে আর ফিরে আসেনি স্কুলছাত্র

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ কোচিংয়ের জন্য বেরিয়ে আর বাসায় ফেরেনি যশোর শিক্ষা বোর্ড স্কুলের অস্টম শ্রেণীর ছাত্র সৈয়দ আবু হোরাইরা (১৪)। গত ২ আগস্ট আনুমানিক বিকেল ৪টা থেকে সে নিখোঁজ রয়েছে। আবু হোরাইরার বাবা সৈয়দ নাসির উদ্দীনের ছেলে নিখোঁজ উল্লেখ করে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় সোমবার জিডি করেছেন।

নিখোঁজ আবু হোরাইরার বাবা জানান, ছেলে স্কুলে কোচিং করার জন্য যশোর নীলগঞ্জস্থ বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু সে কোচিং সেন্টারে যায়নি এবং অদ্যাবধি বাসায় ফিরে আসেনি। সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ খবর নিয়েও তাকে না পেয়ে থানায় সাধারণ জিডি করেছি। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় আবু হোরাইরার পরনে ছিল নীলকালো গ্যাবাডিং প্যান্ট ও কার্বন কালারের শার্ট। ছেলের উচ্চতা ৪ ফুট ১০ ইঞ্চি। তার কপালের ডান পাশে কাটা দাগ আছে। কোন সহৃদয় ব্যক্তি যদি আবু হোরাইরার সন্ধান পান তবে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় জানানোর অনুরোধ জানিয়েছেন নিখোঁজের বাবা সৈয়দ নাসির উদ্দীন।