২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সৈয়দপুর বিমানবন্দর প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত মামলা

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরের সিনিয়র উপ-সহকারী প্রকৌশলীর মাহমুদ সেলিমের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।

খাদ্য পরিদর্শক পদে হীরামন নাহান নাজনীন নামে এক নারীকে চাকরি দেয়ার কথা বলে ৬ লাখ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগে আদালতে দায়ের করা একটি পিটিশন মঙ্গলবার থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। প্রকৌশলী মাহমুদ সেলিম ছাড়াও এই মামলা আসামি হয়েছেন তার ভাই আব্দুস ছালাম। তারা ঝালকাঠি সদর উপজেলার দিবাকর গ্রামের মৃত মকছেদ আলী মিয়ার ছেলে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, যশোর শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের আনসার আলীর মেয়ে হীরামন নাহার নাজনীনের পূর্ব পরিচিত আসামি মাহামুদ সেলিম। তিনি বর্তমানে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে চাকরি করেন। আসামিরা নাজনীনকে খাদ্য পরিদর্শক পদে চাকরি দিতে পারবে বলে প্রলোভন দেখায়। এর জন্য ৬ লাখ টাকা লাগবে বলে জানায়। নাজনীন তাদের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করেন এবং ৬ লাখ টাকা দিতে রাজি হন। সে অনুযায়ী ২০১৩ সালের দড়াটানার সেবা ওয়ার্ল্ড নামে একটি দোকানে বসে নাজনীন ৫ হাজার টাকা দেন আসামি ছালামকে। এরপর ওই বছরের ২১ আগস্ট এসএ পরিবহনের মাধ্যমে ১ লাখ, ২৯ আগস্ট ১ লাখ, ১৬ সেপ্টেম্বর মাহমুদ সেলিমকে ১ লাখ টাকা দেন।

টাকা পেয়ে তারা জানায় চাকরি প্রায় হয়ে গেছে। এখন নিয়োগপত্র পাওয়ার অপেক্ষায় আছে। বাকি তিন লাখ টাকা দিলে তারা নিয়োগপত্র দিতে পারবে। ২০১৪ সালের ৪ জানুয়ারি তারা যশোরে বসে আরও তিন লাখ টাকা নেয়। এরপর আজ না কাল বলে নিয়োগপত্র দিতে কালক্ষেপণ করে।

তিনি এজাহারে আরও উল্লেখ করেছেন, চাকরি না পেয়ে আর না পাওয়ার সন্দেহে তাদের কাছে টাকা ফেরত চান। এর জন্য দুটি লিগ্যাল নোটিস দেন। কিন্তু তারা নোটিস গ্রহণ না করে কৌশলে এড়িয়ে যায়। টাকা ফেরত না দিলে মামলা করবেন বলে আসামিদের জানিয়ে দেন। এতে ভীত হয়ে তারা গত ১৩ জুন যশোর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির বিপ্লব হোসেনের রুমে এক সালিশে বসেন। সেখানে আসামিরা উপস্থিত ছিলেন। সালিশে আসামিরা টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে চলে যায়। এই কারণে নাজনীন ২৩ জুলাই আদালতে একটি পিটিশন মামলা করেন। এই পিটিশনটির প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় কোতোয়ালি পুলিশ নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করেছে।

মানিকগঞ্জে সবজি ব্যবসায়ী রাজশাহীতে গৃহবধূ খুন

নিজস্ব সংবাদদাতা, মানিকগঞ্জ, ৪ আগস্ট ॥ মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চর মকিমপুর গ্রামে মঙ্গলবার সকালে মাজুন বেপারী (৪৫) নামের সবজি ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে পিটিয়ে এবং ধারাল অস্ত্রের আঘাতে তাকে হত্যা করা হয়। নিহত মাজুন দক্ষিণ চর মকিমপুর গ্রামের মৃত. বিশু বেপারীর ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টটুল মিয়া নামে একজনকে পুলিশ আটক করেছে। মাজুন বেপারীর পরিবারের অভিযোগ পাশের বাড়ির সোহাগ ও তার ভায়েরা এই হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত।

মাজুন বেপারীর স্ত্রী জুলেখা বেগম জানান, সোমবার রাত ১০টার দিকে পাশের বাড়ির সোহাগ তার স্বামীকে ডেকে নিয়ে যায়। রাতে মাজুন বাড়িতে আসেনি। মঙ্গলবার ভোরে সোহাগদের বাড়ির পাশে তার লাশ পাওয়া যায়। তিনি অভিযোগ করেন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে জানান, রাজশাহী নগরীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্বামী। নিহতের নাম মর্জিনা বেগম (৫০)। তিনি নগরীর শাহমুখদুম থানার ভুগরইল পশ্চিমপাড়া কোরবান আলীর স্ত্রী। ঘটনার পর স্বামী কোরবান পলাতক রয়েছে। পুলিম জানায়, মঙ্গলবার সকালে বাড়ির উঠানে লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেয়। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। লাশের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

নির্বাচিত সংবাদ