২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আটকে আছে একাডেমিক ভবনের কার্যক্রম

  • যশোর এম এম কলেজ

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ শীঘ্রই চালু হচ্ছে না যশোর সরকারী মাইকেল মধুসূদন কলেজের চারতলা বিশিষ্ট একাডেমিক কাম এক্সামিনেশন হল। কয়েক মাস আগে ভবন নির্মাণ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় তা চালু করা যাচ্ছে না। আর এ অবস্থায় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর থেকে এ ভবনটি বুঝে নিচ্ছে না কলেজ প্রশাসন।

জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘ডেভেলপমেন্ট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজেস এ্যাট দ্য ডিসট্রিক্ট হেড কোয়ার্টার্স ফর ইমপ্রুভিং কোয়ালিটি এডুকেশন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সম্প্রতি নির্মাণ শেষ হয়েছে একাডেমিক কাম এক্সামিনেশন হল। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর যশোর অফিস সূত্রে, নির্মাণ কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় ভবন হস্তান্তর করা যাচ্ছে না। তাদের দাবি দরপত্রে রাস্তার কাজ ছিল না। তাই রাস্তা নির্মাণের জন্য নতুন করে রিভাইজ এস্টিমেট করা হয়েছে। আর রিভাইজ এস্টিমেটের বিল পাস হলে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে কলেজ কর্তৃপক্ষকে ভবন হস্তান্তর করা হবে। নির্বাহী প্রকৌশলী মঈনুদ্দীন জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের অংশ হিসেবে মাটি ফেলা হয়েছে। রিভাইজ এস্টিমেট পাস হলে দ্রুতই রাস্তা নির্মাণ শুরু হবে। তবে রাস্তার কাজ কবে শুরু ও শেষ হবে তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। রাস্তা নির্মাণ শেষ হলে ভবন হস্তান্তর করা যাবে।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর ভবন হস্তান্তর করার পর চাহিদা অনুযায়ী আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ দেবে প্রকল্প। আর এসব উপকরণ না পাওয়া পর্যন্ত ভবনে পরীক্ষা ও ক্লাস শুরু করা যাবে না। তাই কলেজ প্রশাসনও বলতে পারছে না কবে নাগাদ নির্মিত ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নমিতা রানী বিশ্বাস জানান, এখনও ভবন হস্তান্তর হয়নি। বিল্ডিংয়ের ফার্নিচার না পাওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম চালু করা যাবে না। কবে নাগাদ চালু হবে নিশ্চত করে বলতে পারছি না। তবে দ্রুত চালুর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভালুকা হাসপাতালের এক্সরে মেশিন বিকল রোগীদের ভোগান্তি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভালুকা, ময়মনসিংহ, ৫ আগস্ট ॥ ভালুকা উপজেলা ৫০ শয্যা হাসপাতালের এক্স-রে মেশিনটি বিকল হয়ে আছে প্রায় দেড় বছর যাবত। বিকল মেশিনটি মেরামত বা নতুন এক্স-রে মেশিন সরবরাহের জন্য বার বার তাগাদা দেয়া হলেও সারা মেলেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ফলে, রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজনে রোগীদের মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে হাসপাতালের বাইরের ক্লিনিক থেকে এক্স-রে করিয়ে আনতে হচ্ছে। এতে রোগীদের গুনতে হচ্ছে খরচের টাকা। জানা যায়, আগের এক্স-রে মেশিনটি বিকল হলে অনেকবার লেখালেখি, তদ্বির, সুপারিশের পর কেন্দ্রীয় ঔষাধাগার থেকে ভালুকা উপজেলা ৫০ শয্যা হাসপাতালের নামে বর্তমানের এক্স-রে মেশিনটি বরাদ্দ দেয়া হয়। পরবর্তীতে স্ট্রান্সমিট লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০১১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারিতে ওই এক্স-রে মেশিনটি ভালুকা হাসপাতালে স্থাপন করা হয়। কিন্তু স্থাপনের দুই বছর ৮ মাস পর অর্থাৎ গত বছরের ৩০ অক্টোবর থেকেই বিকল হয়ে পড়ে ওই এক্স-রে মেশিনটি। বিকল এক্স-রে মেশিনটি মেরামত বা পুনর্¯’াপনের জন্য ভালুকা হাসপাতাল থেকে দফায় দফায় পত্র দেয়া হলেও মেশিনটি মেরামত বা পুনর্¯’াপনের তেমন কোন উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রফিকুল ইসলাম জানান, ভালুকা ৫০ শয্যা হাসপাতালের বিকল এক্স-রে মেশিনটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষতে জানানো হয়েছে।