১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ফরিদপুরে আ’লীগ দু’গ্রুপে সংঘর্ষ আহত ৩০

নিজস্ব সংবাদদাতা, ফরিদপুর, ৫ আগস্ট ॥ সালথায় এলাকার প্রভাব বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ উভয় গ্রুপের ৩০ ব্যক্তি আহত হয়েছে। সংঘর্ষে এক গ্রুপের ৪টি বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে আটক করে দুই মাস করে কারাদ- দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এলাকার প্রভাব বিস্তার নিয়ে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আঃলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও সদ্য আঃলীগে যোগদানকারী ওয়াহিদুজ্জামানের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউসুফদিয়া বাজারে ওয়াহিদের সমর্থক মাহাবুলের সঙ্গে দেলোয়ারের সমর্থক কামরানের কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে একপর্যায় উভয় গ্রুপের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে লাঠিপেটা ও পরে শর্টগানের ছুড়ে মারে। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের ৩০ জন আহত হয়। আহতদের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

দেলোয়ার হোসেনের ভাই উপজেলা আঃলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, বিএনপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়াহিদ আঃলীগে যোগদান করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার শুরু করে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমাদের লোকজনের উপর অতর্কিতভাবে হামলা করলে এ সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশের গুলিতে আমাদের সমর্থক বাতিন আহত হয়। সে বর্তমানে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া পুলিশের সহযোগিতায় আমাদের সমর্থকদের ৪টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে ওয়াহিদের সমর্থকরা।

অপরদিকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আমাদের বিরোধ অনেকদিনের পুরনো। এ বিরোধ যাতে না বাধে এজন্য আমার সমর্থকদের ইউসুফদিয়া বাজারে যেতে বারণ করেছিলাম। কিন্তু তারপরও মঙ্গলবার আমার কয়েকজন সমর্থক বাজারে গেলে তাদের উপর হামলা হয়। এর জের ধরে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।