২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অস্ট্রেলিয়ার টেনিস তারকা স্টোসারের ৫০০তম জয়

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ আরও একটি মাইলফলক স্পর্শ করলেন অস্ট্রেলিয়ার টেনিস তারকা সামান্থা স্টোসার। এটিপি ওয়াশিংটন ওপেনে মঙ্গলবার এই কৃতিত্ব দেখান তিনি। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে সামান্থা স্টোসার ৬-২ এবং ৬-২ গেমে হারান ফ্রান্সের ক্রিস্টিনা মাদেনোভিচকে। প্রথম পর্বে জয় পেতে স্টোসারের এদিন সময় লাগে ৬৪ মিনিট। ৩১ বছর বয়সী এই টেনিস তারকা দ্বিতীয় পর্বে এখন লড়াই করবেন আমেরিকার ইরিনা ফ্যালকোনির বিপক্ষে।

ক্যারিয়ারে মহিলা এককে ৫০০তম ম্যাচ জয় মানে অসাধারণ এক অর্জন। সেটা স্বীকার করেছেন স্টোসার নিজেও। অভিজাত এই ক্লাবের সদস্য হতে পেরে গর্বিত তিনি। এ বিষয়ে উচ্ছ্বসিত সামান্থা স্টোসার বলেন, ‘এটা জেনে খুবই ভাল লাগছে। পাঁচ ম্যাচ জয় মানে অসংখ ম্যাচ। এটা করার আনন্দটা সত্যিই অন্যরকম। এর মানে ক্যারিয়ারটা অনেক লম্বা।’ অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের টেনিস ইতিহাসে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ডটা ইভোনে কাউলির দখলে। অস্ট্রেলিয়ার এই টেনিস তারকা ৬৯৫ ম্যাচ জিতে সবার উপরে অবস্থান করছেন। গত এক দশক ধরেই পাদপ্রদীপের আলোয় অবস্থান করছেন স্টোসার। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার। সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে মাত্র একবারই গ্র্যান্ডসøাম টুর্নামেন্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। ২০১১ সালে ইউএস ওপেনে। সেবার আমেরিকান টেনিস তারকা সেরেনা উইলিয়ামসকে হারিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম মেজর শিরোপা জিতেন স্টোসার। ফ্লাশিং মিডোজের সেই লড়াইয়ে সামান্থা স্টোসার ৬-২ এবং ৬-৩ গেমে উড়িয়ে দিয়েছেন টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের নাম্বার ওয়ান তারকাকে। তবে এবার প্রেক্ষাপট একেবারেই ভিন্ন। তেত্রিশ বছর বয়সী সেরেনা উইলিয়ামস বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের স্বর্ণালী সময় পার করছেন। গত মাসে উইম্বল্ডন জিতে ‘সেরেনা সøাম’ জয়ের বিস্ময়কর কীর্তি গড়েছেন। এখন তার সামনে নতুন মাইলফলকের হাতছানি। এই মাসেই শুরু হতে যাওয়া ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হতে পারলেই স্টেফিগ্রাফের পর ‘ক্যালেন্ডার সøাম’ জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করবেন তিনি। শুধু তাই নয়, ২২ গ্র্যান্ডসøাম জিতে স্টেফিগ্রাফের রেকর্ডেও ভাগ বসাবেন তিনি। তবে এবার সামান্থা স্টোসারও শিরোপা পুনরুদ্ধারে বেশ আশাবাদী। এর পেছনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে তার অতীত সাফল্যই। এ বিষয়ে বর্তমান টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের ২১ নাম্বারে থাকা স্টোসার বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার পারফর্মেন্স খুবই ভাল। হার্ডকোর্টে বেশ ভালভাবেই ফিরে এসেছি। আর ফ্ল্যাশিং মিডোজে খেলা সেই ফাইনালের মুহূর্তটি দারুণ ছিল। যা আপনাকে শিরোপার লড়াইয়ে দারুণভাবে আত্মবিশ্বাস যোগাবে।’