২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উইঘুর জঙ্গীদের দমনে সহায়তা করুন

  • যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চীনের আহ্বান

চীন এর উত্তর দিকের প্রত্যন্ত অঞ্চল জিনজিয়াংয়ে ইসলামপন্থী জঙ্গীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থন দিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিও এক হুমকি বলে চীন উল্লেখ করেছে। খবর ইয়াহু নিউজের।

চীনা কর্মকর্তারা বলছেন, পূর্ব তুর্কিস্তান ইসলামী আন্দোলন (ইটিআইএম) উইঘুরদের সংগ্রহ করে তাদের সিরিয়া ও ইরাকের চরমপন্থীদের সঙ্গে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। চীনে জিহাদ চালানোর জন্য তাদের ফিরিয়ে আনাই এর উদ্দেশ্য। উইঘুররা জিনজিয়াংয়ের এক বিরাট জাতিগত মুসলিম সম্প্রদায়।

তবে অনেক বিদেশী বিশেষজ্ঞ চীনের দাবিমত একটি সংঘবদ্ধ দল হিসেবে ইটিআইএমের অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। সন্ত্রাসী হুমকি এখন আরও জটিল ও তীব্র রূপ নিচ্ছে বলে মঙ্গলবার রাতে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মন্তব্য করা হয়। এর আগে চীনের উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী চেং গুডপিং এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের সন্ত্রাস দমন ব্যুরোর দূত টিনা কাইভা নাওয়ের মধ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রণালয় বলেছে, ইটিআইএম ও পূর্ব তুর্কিস্তানের অন্য সন্ত্রাসী দলগুলো চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি যে হুমকির সৃষ্টি করেছে। চীনা তা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে। পূর্ব তুর্কিস্তানের সন্ত্রাসী বাহিনীর তৎপরতা দমনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র যাতে চীনকে জোরালোভাবে সমর্থন যোগায়, চীন সেই অনুরোধ জানায়। উভয় পক্ষ সাইবার সন্ত্রাস ও হিংসাত্মক চরমপন্থী তৎপরতা দমন এবং সন্ত্রাসবিরোধী গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করতে একমত হয়। মন্ত্রণালয় একথা জানায়। সম্ভবত হাজার হাজার ইউঘুর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবৈধ পথে চীনা সীমান্ত পেরিয়ে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মধ্য দিয়ে তুরস্কে চলে যায়।

মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, এরূপ অভিবাসীরা জিনজিয়াংয়ে চলমান জাতিগত সহিংসতা এবং তাদের ধর্ম ও কৃষ্টির ওপর চীনা নিয়ন্ত্রণের হাত থেকে রেহাই পেতে পালিয়ে যাচ্ছে।

বেজিং ঐ অভিযোগ অস্বীকার করে থাকে। জিনজিয়াংয়ে গত তিন বছরে গোলযোগে শত শত লোকের মৃত্যু হয়। এজন্য বেজিং ইসলামী জঙ্গীদের দায়ী করে থাকে। কিন্তু ইটিআইএম ঐ সহিংসতার সঙ্গে জড়িত বলে চীনা কর্মকর্তারা সামান্য প্রমাণই দিয়েছেন। ২০০১-এর ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ওয়াশিংটন সেটিকে এক সন্ত্রাসী দল বলে গণ্য করে থাকে। মার্কিন সরকারের কোন কোন কর্মকর্তা জিনজিয়াংয়ে দলটির প্রভাবের ব্যাপকতা নিয়ে ঘরোয়াভাবে সন্দেহ ব্যক্ত করেন। কিন্তু দলটি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের কথাবার্তা বেজিংয়ের অনুকূলে যেতে পারে।