২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পাকিস্তানে গীতার সঙ্গে দেখা করলেন ভারতীয় হাইকমিশনার

ভারতের কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পাকিস্তানে আটকে পড়া মূক-বধির ভারতীয় তরুণী গীতার সঙ্গে মঙ্গলবার সস্ত্রীক দেখা করেছেন সেদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার টিসিএ রাঘবন। তিনি আশ্বাস দেন, যত শীঘ্র সম্ভব তার পরিবারকে খুঁজে বের করা হবেই। রাঘবন জানান, তার এই সাক্ষাতের উদ্দেশ্য ছিল তরুণীর সম্পর্কে যতটা সম্ভব তথ্য সংগ্রহ করা, যাতে তার পরিবারকে চিহ্নিত করা যায়। বস্তুত মঙ্গলবারই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ টুইটে জানিয়েছিলেন, গীতার সঙ্গে দেখা করার জন্য তিনি ভারতীয় হাইকমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন। গত ১৫ বছর ধরে পাকিস্তানে আটকে রয়েছে গীতা। সম্ভবত একেবারে ছোটবেলায় কোনভাবে রাস্তা ভুল করে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে পড়েছিল সে। মেয়েটিকে পাক রেঞ্জার্সরা সে দেশের সুপরিচিত সেবামূলক সংস্থা লাহোরের ইদি সেন্টারের হাতে তুলে দেয়। এই সংস্থার প্রধান ফয়সাল ইদি বলেছেন, বেশ কয়েক বছর ধরে আমরা ভারতে ওর পরিবার বা শহরের খোঁজখবর করার চেষ্টা করি। যাতে ওকে ওর স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া যায়। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। তিনি আরও বলেন, গত বছর ভারতীয় কনস্যুলেটের লোকজন গীতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, তার ছবিও তুলে নিয়ে যান। কিন্তু পরে আর আসেননি তারা। পাকিস্তানে বলিউড ছবি ‘বজরঙ্গী ভাইজান’-এর বিপুল সাফল্য ফের নতুন করে গীতাকে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসে। পাকিস্তানের সমাজকর্মীরা মূক-বধির মেয়েটিকে তার পরিবারের সঙ্গে মিলিয়ে দিতে নতুন করে প্রয়াস চালাতে শুরু করেন। এরই অন্তর্গতে সুষমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন পাকিস্তানের সুপরিচিত মানবাধিকার কর্মী ও সাবেক মন্ত্রী আনসার বার্নি। Ñডন ও ওয়েবসাইট।

আফগানিস্তানে ছয় মাসে রেকর্ড ১৫৯২ বেসামরিক লোক নিহত

আফগানিস্তানে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের সর্বোচ্চ রেকর্ড তৈরি হয়েছে ২০১৫ সালের প্রথম ছয় মাসে। দেশটিতে ন্যাটোর যুদ্ধ মিশন শেষ হওয়ার পর ছয় মাসের এ ভঙ্গুর নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রকাশ করা হলো। খবর এএফপির।

বুধবার আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আফগানিস্তানে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের মোট সংখ্যা ১ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সময়ের মধ্যে আফগানিস্তানে মোট ১ হাজার ৫৯২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও তিন হাজার ৩২৯ জন আহত হয়েছে। নিহতদের সংখ্যা গত বছরের চেয়ে ৬ শতাংশ কম হয়েছে। যদিও আহতদের সংখ্য ৪ শতাংশ বেড়েছে বলে জানা গেছে। এই হিসেব অনুযায়ী বোঝা যায়, গড়ে প্রতিদিন ৯ বেসামরিক লোক নিহত ও ১৮ জন আহত হচ্ছে। ইউনাইটেড নেশনস এ্যাসিসটেন্স মিশন ইন আফগানিস্তানের (ইউএনএএমএ) মতে, বেসামরিক লোকদের হতাহতের ঘটনা তালেবানসহ সরকার বিরোধীদের হামলায় ঘটেছে।