২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সিরিয়ায় যাওয়া ঠেকাতে শরীরে সংকেত যন্ত্র

সিরিয়ায় যাওয়া ঠেকাতে শরীরে সংকেত যন্ত্র

অনলাইন ডেস্ক॥ সিরিয়ায় যাবার চেষ্টার সময় আটক করা হয়েছিল, এমন দুইটি পরিবারের সদস্যদের নজরদারির আওতায় রাখতে পায়ে ট্যাগিং বা সংকেত প্রদানকারী বৈদ্যুতিক যন্ত্র লাগিয়ে রাখার আদেশ দিয়েছে যুক্তরাজ্যের একটি আদালত। তবে এই সিদ্ধান্ত সেখানে বিতর্কের তৈরি করেছে। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ওই পরিবারদুটির বয়স্ক সদস্যদের গোড়ালিতে ব্রেসলেট আকারের যন্ত্রটি লাগিয়ে রাখতে হবে। ওই যন্ত্র থেকে তাদের অবস্থান বুঝতে পারা যাবে এবং সার্বক্ষণিকভাবে তাদের নজরদারি করা যাবে।

আদালত বলছে, পরিবারের শিশুদের ঝুঁকিমুক্ত করতেই এই সিদ্ধান্ত। এ বছরের প্রথমদিকে ম্যানচেস্টার আর তুরস্কের দুইটি বিমানবন্দর থেকে সিরিয়ার যাবার সময় ওই পরিবারদুটির সদস্যদের আটক করা হয়। পরিবারের শিশুদের সাময়িকভাবে বিকল্প আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। তবে পরিবারের জ্যেষ্ঠদের শরীরে যন্ত্র লাগানোর পর, তারা শিশুদের আবার সঙ্গে রাখতে পারবেন।

পরিবারের শিশুদের সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের এলাকা নিয়ে যাওয়া রোধ করতে এই আদেশ বলে পারিবারিক আদালত জানিয়েছে। ২০১১ সালের সন্ত্রাস দমন অ্যাক্টের আওতায় ওই আদেশ দেয়া হলো।

এ ধরণের যন্ত্র নির্দিষ্ট সময় পর পর জিপিএস ব্যবহার করে সংকেত পাঠাতে থাকে। ফলে কর্তৃপক্ষ যেকোনো স্থান থেকেই ওই ব্যক্তির গতিবিধি ও অবস্থান নজরদারি করতে পারে। একদশকের বেশি সময় ধরে অপরাধী নজরদারী করতে এ ধরণের ট্যাগিং পদ্ধতি ব্যবহার করছে যুক্তরাজ্য। আমেরিকায় নব্বুইয়ের দশক থেকে এ ধরণের প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে সাধারণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে এ ধরণের প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা আগে শোনা যায়নি। তবে আদালতের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্যের সরকারের ভেতরেই বিতর্ক তৈরি করেছে। এই সিদ্ধান্তকে ব্যতিক্রমী বলে বর্ণনা করেছে যুক্তরাজ্যের বিচার মন্ত্রণালয়। এ ধরণের পদক্ষেপকে ‘অমানবিক ও অপমানজনক’ আখ্যা দিয়ে বরাবরই সমালোচনা করছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

সূত্র : বিবিসি বাংলা