২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রয়াণ বার্ষিকীতে নানা আয়োজনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ স্মরণ

প্রয়াণ বার্ষিকীতে নানা আয়োজনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ স্মরণ
  • সংস্কৃতি সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সেতারেতে বাঁধিলাম তার, গাহিলাম আরবার/মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক/আর কিছু নয়, এই হোক শেষ পরিচয়-এভাবেই কবিতার চরণে আত্মপরিচয় দিয়েছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সৃষ্টির আলোয় রবির কিরণ ছড়িয়ে তিনি হয়েছেন বাঙালীর প্রাণের মানুষ। সাহিত্য কিংবা শিল্পের আলোকধারায় ছুঁয়েছিলেন বাঙালীর মন-প্রাণ। দিয়েছেন বাঙালীর সংস্কৃতিবান হয়ে ওঠার পথের দিশা। চেতনে কিংবা অবচেতনে আপন সৃষ্টি ও দর্শনে ঠাঁই করে নিয়েছেন বাঙালীর মননে। অনুপ্রেরণার সঙ্গী হয়েছেন বাঙালীর সঙ্কটে, সংগ্রামে, আনন্দ ও ভালবাসায়। তার হাত ধরেই বাংলা সাহিত্য জাতীয়তার গ-ি পেরিয়ে পেয়েছিল আন্তর্জাতিকতার ঠিকানা। স্বদেশের ঠিকানা ছাড়িয়ে বৈশ্বিকতায় ঠাঁই করে নিয়েছিল বাঙালিত্বের গৌরববৌধ। বাংলা পঞ্জিকার হিসেবে বৃহস্পতিবার ছিল বাইশে শ্রাবণ। বিশ্বকবির ৭৪তম প্রয়াণবার্ষিকী। সেই সূত্রে মৃত্যুবার্ষিকীতে বাঙালীর যাপিত জীবনের সর্বক্ষণিক সঙ্গী রবীন্দ্রনাথকে স্মরণ করা হলো হৃদয়ের গহীন ভালবাসায়। কৃতজ্ঞতার বন্ধনে নানা আয়োজনে বিশ্বকবিকে নিবেদন করা হলো প্রাণের মমতামাখা শ্রদ্ধাঞ্জলি।

কবিগুরুর প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকাগুলোয় প্রকাশিত হয়েছে তাকে নিবেদন করে বিশেষ সংবাদ। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোয় ছিল বহুমাত্রিক আয়োজন। কোথাও উচ্চারিত হয়েছে দোলায়িত ছন্দে বিশ্বকবির রচিত কবিতার চরণ। আবার কোন চ্যানেলে দিনভর নানা শিল্পীর সুরেলা ধ্বনিতে গীত হয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। কোথাওবা প্রচারিত হয়েছে রবীন্দ্রনাথ রচিত নাটক। আর সংস্কৃতিবান বাঙালী প্রতিদিনের মতোই কোন না কোনভাবে এমনিতেই স্মরণ করেছে কবিগুরুকে। এছাড়া বিশ্বকবির প্রয়াণবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচীতে স্নিগ্ধ হয়ে ওঠে রাজধানীর সংস্কৃতিক অঙ্গন। বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে একক বক্তৃতা এবং গান ও কবিতার সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে শ্রাবণ সন্ধ্যায় সূচনা হয় বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সঙ্গীতানুষ্ঠান। নাচ-গান, কবিতা ও কথায় সাজানো বৈচিত্র্যময় আয়োজনে কবিগুরুকে অঞ্জলি জানিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। রাজধানীর বাইরে কবির স্মৃতিধন্য নওগাঁর পতিসরেও পালিত হয়েছে দিবসটি। আর প্রতিটি আয়োজনে কবি বন্দনার পাশাপাশি ছিল তার দেখানো পথ ধরে হিংসা-বিদ্বেষ দূরে ঠেলে মানবতার বাণী ধারণ করে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের পথে চলার প্রত্যয় গ্রহণ।

গণগ্রন্থাগারে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার অনুষ্ঠানমালা ॥ বিশ্বকবির প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হলো বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থার দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা। শ্রাবণ সন্ধ্যায় সুরের প্লাবন বয়ে যায় সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে। দেড় ঘণ্টা ব্যাপ্তির অনুষ্ঠানের সূচনা হয় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে। অনেক কণ্ঠ এক সুরে গেয়ে শোনায় ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি...।’ এর পর পরিবেশিত হয় আরও দুটি সম্মেলক সঙ্গীত। গীত হয় ‘সমুখে শান্তি পারাবার’ ও ‘আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে’। দলীয় সঙ্গীত শেষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাজেদ আকবর। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংস্থার সভাপতি তপন মাহমুদ।

সংক্ষিপ্ত কথন শেষে আবার শুরু হয় গানের পালা। সেই সুরের মূর্ছনায় সিক্ত হয় শ্রোতাকুল। অনিরুদ্ধ সেনগুপ্ত গেয়ে শোনান ‘আমার ব্যথা যখন আনে আমায়’। খন্দকার খায়রুজ্জামান কাইয়ুমের কণ্ঠে গীত হয় ‘এখনি কি হলো তোমায়’। সত্য চক্রবর্তী পরিবেশন করেন ‘আমার দিন ফুরাল’, হিমাদ্রি শেখর শোনান ‘আমার যেদিন ভেসে গেছে’, তপন সরকার শোনান ‘আবার এসেছে আয়াঢ়’, আব্দুল ওয়াদুদের কণ্ঠে পরিবেশিত হয় ‘বাণী তার নাহি’। এভাবে একের পর এক গেয়ে যান অভীক দেব, অনুপম কুমার পাল, আহমেদ শাকিল, আয়েশা ফরিদ, ছায়া কর্মকার, ইন্দ্রানী কর্মকার, প্রান্তিকা, সাগরিকা জামালীসহ কুড়িজনের বেশি শিল্পী। তাদের পরিবেশিত কয়েকটি গানের শিরোনাম ছিল ‘আমার হিয়ার মাঝে’, ‘আজি বিজন ঘরে’, ‘তুমি এপার ওপার’, ‘তুমি রবে নিরবে’, ‘মরণরে তুহু মম’, ‘আমার যাবার বেলা’, ‘ওই মালতি লতা দোলে’, ‘তুমি এবার আমায় লহ’, ‘জীবনে আমার যত আনন্দ’, ‘এমন দিনে তারে বলা যায়, ‘ওগো সাঁওতালি ছেলে’ ও ‘আমি যখন ছিলেম অন্ধ’।

শিল্পকলার বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠানমালা ॥ বিশ্বকবির প্রয়াণবার্ষিকীতে নাচের নান্দনিকতায়, গানের সুরে, কবিতার ছন্দে ও কবিগুরুকে নিবেদিত বক্তাদের আলোচনায় সাজানো বহুমাত্রিক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সন্ধ্যায় উদ্যোগে একাডেমির সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আখতার কামাল । স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমির সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের পরিচালক সোহরাব উদ্দীন।

আলোচনা শেষে শুরু হয় বর্ণিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সুরেলা শব্দধ্বনির মায়াজাল বুনে একক কণ্ঠে গান শোনান নীলোৎপল সাধ্য, শিমু দে, আজিজুর রহমান তুহিন, তানিয়া মান্নান, এটি এম জাহাঙ্গীর, সোমা রানী রায়, সালমা আকবর ও মহাদেব ঘোষ। কবিগুরুর কবিতার শিল্পিত উচ্চারণে আবৃত্তি করেন বাচিকশিল্পী শিমুল মুস্তাফা। রবীন্দ্র রচনা থেকে ধারা বর্ণনা পাঠ করেন দুই বাকশিল্পী কৃষ্টি হেফাজ ও ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় পরিবেশিত হয় সমবেত নৃত্য। সব শেষে উপস্থাপিত হয় ফারহানা চৌধুরী বেবী পরিচালিত নৃত্যালেখ্য ‘ষড়ঋতু’।

‘যুদ্ধ ও বিশ্বশান্তি প্রসঙ্গে রবীন্দ্র ভাবনা’ ॥ বিশ্বকবির প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে ‘যুদ্ধ ও বিশ্বশান্তি প্রসঙ্গে রবীন্দ্র ভাবনা’ শীর্ষক একক বক্তৃতার আয়োজন করে বাংলা একাডেমি। একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে বক্তৃতার পাশাপাশি পরিবেশিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে একক বক্তৃতা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বেগম আকতার কামাল। স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

একক বক্তৃতায় ড. বেগম আকতার কামাল বলেন, রবীন্দ্রনাথ সব সময় তার ভাবনালোকে শান্তিকে বড় পরিসর দান করেছেন। তিনি সঙ্কীর্ণ জাতীয়তাবাদকে শান্তির বৈরী পক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করে উন্মত্ত রাষ্ট্রশক্তির বিকারের মোকাবেলায় সংহত মানবিক সমাজশক্তির উত্থান কামনা করেছেন। বিশেষ করে প্রথম মহাযুদ্ধে মনুষ্যত্বের সুবিপুল অপচয় তার হৃদয়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে গেছে। একটি যুদ্ধহীন বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় তিনি যেমন যুদ্ধবিরোধী ভাবনা ব্যক্ত করেছেন তার কবিতা ও গদ্যে তেমনি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বশান্তি আন্দোলনে সক্রিয় হয়েছেন। লড়াই করেছেন ফ্যাসিবাদবিরোধী বিশ্বসংঘের হয়ে। তিনি বলেন, সঙ্কীর্ণ জাতীয়তাবাদ-উপনিবেশবাদ-পুঁজিবাদ ইত্যাদির মিলিত গাঁটছড়া যে শান্তির পথকে বিপন্ন করতে পারেÑএই আশঙ্কা ব্যক্ত করে তিনি সমতাভিত্তিক সর্বজাতিক অগ্রগমনে তার আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি ভেবেছেন এ পথেই বজায় থাকতে পারে সভ্যতার সুষমা। একক বক্তা আরও বলেন, আজ শান্তি বিপন্ন যুদ্ধাক্রান্ত পৃথিবীতে মানুষকে অবজ্ঞা করে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির যে কদর্য প্রতিযোগিতা চলছে তার অবসান ঘটাতে না পারলে আমাদের সমস্ত শান্তি-উদ্যোগ ব্যর্থ হতে বাধ্য। রবীন্দ্রনাথের ভাবনার আলোয় শান্তিশীল মানবপক্ষ গঠনেই নিরাপদ হতে পারে মানবিক আগামী বিশ্বের পথচলা।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, যুদ্ধ ও শান্তি প্রসঙ্গে রবীন্দ্রভাবনা তার জীবনের নানা পর্বে বিবর্তিত রূপ লাভ করেছে। তিনি সাম্রাজ্যবাদ ও উপনিবেশবাদের লুণ্ঠন প্রবৃত্তির সর্বনাশা পরিণামকে শান্তির শত্রু হিসেবে শনাক্ত করে সর্বমানবের মঙ্গলবোধের জাগরণ কামনা করেছেন। যদিও পাশ্চাত্যের যুদ্ধবাদীরা তার মতকে সহজে মেনে নেয়নি। তিনি আরও বলেন, একটি শান্তিময় বিশ্বগঠনে রবীন্দ্র শান্তিভাবনা আমাদের প্রয়োজনীয় প্রেরণা দিতে পারে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী সাদী মহম্মদ, অদিতি মহসিন ও মকবুল হোসেন।

পতিসরে পালিত বিশ্বকবির প্রয়াণবার্ষিকী ॥ রাজধানী ছাড়া নওগাঁয় পালিত হয়েছে বিশ্বকবির প্রয়াণবার্ষিকী। জনকণ্ঠে নওগাঁ প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ মনি জানান, দিবসটি পালন উপলক্ষে ‘বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ কৃষি প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট’ পতিসর কাছারিবাড়ি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ ইসরাফিল আলম। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ইসরাফিল আলম এমপি কবিগুরুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আলোচনাসভায় প্রধান আলোচক ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. আমিরুল মোমেনিন চৌধুরী। বসুধা নাইটে সাবরিনা সাবা ॥ প্রতিশ্রুতিশীল কণ্ঠশিল্পী সাবরিনা সাবা। আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় মোহনা টিভিতে বসুধা নাইট শীর্ষক সঙ্গীতানুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন এই শিল্পী। গাইবেন নিজের জনপ্রিয় গান ‘পৃথিবী অনেক বড়’, ‘জনম জনম তোমাকে’ ও ‘অতলে অতলে’সহ দর্শক-শ্রোতার পছন্দের গান। অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে পরিবেশন করবেন তার শ্রোতা সমাদৃত এ্যালবাম অনলি সাবা টু থেকে বেশ কিছু হিট গান।

নানা আয়োজনে পালিত হিরোশিমা দিবস ॥ শান্তির বাণীকে ধারণ করে বৃহস্পতিবার পালিত হলো হিরোশিমা দিবস। নাট্য প্রদর্শনী, হিরোশিমা-নাগাসাকিভিত্তিক যুদ্ধবিরোধী পোস্টার-আলোকচিত্র-চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনাসভার মাধ্যমে দিবসটি যৌথভাবে পালন করে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে বিকেল থেকে রাত অবধি চলে এ অনুষ্ঠানমালা। দিবসটি পালনে সহযোগিতা করছে জাপান-বাংলা পিস ফাউন্ডেশন ও জাপান দূতাবাস।

হিরোশিমা-নাগাসাকির বিষাদময় ঘটনার ৭০ বছরপূর্তি উপলক্ষে বিকেল থেকে এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলের লবিতে ছিল হিরোশিমা-নাগাসাকিভিত্তিক যুদ্ধবিরোধী পোস্টার-আলোকচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। এর পর সন্ধ্যায় মিলনায়তনে যুদ্ধ থেকে শিশুদের মুক্তি প্রার্থনায় যুদ্ধযন্ত্রণার প্রতীক জাপানী শিশু সাদাকো সাসাকি স্মরণে কাগজের সারস বিতরণ এবং সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরোধী আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। গ্রুপ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক।