২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মাছে লবণ সহনশীল নতুন জিন শনাক্ত

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে চিংড়ি প্রজাতির মাছ (ক্রে-ফিসের) ওপর গবেষণা করে মাছের লবণ নিয়ন্ত্রণকারী ও লবণ সহনশীল জিন শনাক্ত করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর মুহম্মদ ইউছুপ আলী। গবেষণার জন্য তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন মাত্রায় অম্লীয় ও ক্ষারীয় পরিবেশ থেকে ক্রো-ফিসের নমুনা সংগ্রহ করেন এবং তা অত্যাধুনিক ডিএনএ সিকুয়েন্সারের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে সকল জিনের নিউক্লিও কাঠামোর উপাত্ত সংগ্রহ করেন।

এই জিন হলো জীবনের রহস্যের আসল উপাদান। সংগ্রহকৃত সকল উপাত্ত তিনি আমেরিকার ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফর্মেশনে জমা দেন এবং অন্য প্রজাতির মাছের জিনের সঙ্গে এর তুলনা করেন। হাজার হাজার জিনের সঙ্গে তুলনা করেন। ওইসব জিনের ভেতর থেকে তিনি ১০টিরও বেশি জিনের চরিত্র শনাক্ত করেছেন। যেগুলো সরাসরি মাছের অভিশ্রবণ, লবণ এবং অম্লীয় ও ক্ষারীয় পরিবেশে এই সকল জিনের প্রকাশমাত্রা (জিনএক্সপ্রেশন) পর্যবেক্ষণ করছেন।

তাঁর এই গবেষণালব্ধ তথ্যাদি বাংলাদেশের চিংড়ি মাছ বিশেষ করে গলদা ও বাগদা চিংড়ির জীবনরহস্য উন্মোচন এবং লবণ সহনশীল জিন শনাক্ত করতে সাহায্য করবে। বাগদা ও গলদা চিংড়ির লবণ সহনশীল জিন শনাক্ত করতে পারলে ভবিষ্যতে বাগদা চিংড়িকে ধীরে ধীরে মিঠা পানিতে চাষ করতে সহজ হবে। ফলে পুকুর বা মিষ্টি পানিতে চিংড়ি চাষ করতে আর কষ্ট পেতে হবে না চাষিদের। এ কারণে দেশের উপকূলীয় লোনা পানির সঙ্গে মিঠা পানিতেও প্রচুর চিংড়ি চাষ করা সম্ভাবনার দ্বার উম্মোচন হবে।

প্রকৃতি ও বিজ্ঞান ডেস্ক