২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কক্সবাজারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মানবেতর জীবন

  • নষ্ট ফসলের ক্ষেত, মাছের ঘের ও বাড়িঘর

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে স্মরণকালের ভয়াবহ দুই দফা বন্যায় কক্সবাজারের চকরিয়ায় বেশিরভাগ জনপদের চিত্র পাল্টে গেছে। সড়কে পলিথিনের তাঁবু টানিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে অনেকে। বানের পানিতে তলিয়ে ভেঙ্গে তছনছ হয়ে গেছে গ্রামীণ অবকাঠামো, বেড়িবাঁধ, সড়ক ও উপসড়ক। চিংড়িজোনের পাঁচ হাজার মৎস্য প্রকল্পের ৪শ’ কোটি টাকার মাছ পানিতে ভেসে গেছে। নষ্ট হয়ে গেছে প্রায় ২৫ কোটি টাকার ফসলের ক্ষেত। ভেঙ্গে গেছে ৪০ হাজার কাঁচা ঘরবাড়ি। জানা গেছে, জুলাই মাসের টানা ৯ দিনের বন্যায় উপজেলার পূর্বাঞ্চলের ১২টি ইউনিয়ন থেকে ইতোমধ্যে বন্যার পানি নেমে গেলেও কোনাখালী, বিএমচর, ঢেমুশিয়া, পশ্চিমবড় ভেওলা, পূর্ববড় ভেওলা, বদরখালী ও দুর্গম চিরিঙ্গা ইউনিয়নের কিছু কিছু এলাকা বসবাস অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে পানির প্রবল চাপে ভেঙ্গে গেছে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিশাল আয়তনের বেড়িবাঁধ। বর্তমানে এসব পয়েন্ট দিয়ে মাতামুহুরী নদীর ও সামুদ্রিক জোয়ারের পানি লোকালয়ে প্রবাহিত হওয়ায় উপকূলের এসব ইউনিয়নে এখন জোয়ার-ভাটা চলছে। এ অবস্থার ফলে ভারী বর্ষণ ও বন্যার প্রভাব থেমে যাওয়ার পরও উপকূলীয় ইউনিয়নের হাজারো পরিবার সড়কের পাশে তাঁবু গেড়ে রয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান রোস্তম আলী জানিয়েছেন, জুন ও জুলাই মাসের দুই দফা বন্যায় দুই হাজার কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। সড়ক-উপসড়কগুলো ভেঙ্গে খানখান হয়েছে।

জনগণের চলাচলে বেড়েছে দুর্ভোগ। প্রায় ১০ হাজার বাসিন্দা বসতবাড়ি পানিতে ডুবে যাওয়ায় আশ্রয় নিয়েছে আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর। সড়কে এসব পরিবারগুলো পলিথিনের তাঁবু টানিয়ে এক মাস ধরে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনে মতবিনিময়

জাতির জনকের সৃষ্টি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম বাঙালী। তিনি এ দেশ থেকে ঘোড়দৌড়কে এবং মদের লাইসেন্স দেয়াকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। আলেম ওলামাদের এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা উচিত।

মঙ্গলবার বিকেলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে ফাউন্ডেশনের আগারগাঁওস্থ প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্বীনি দাওয়াতি কার্যক্রম প্রসারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত আলেমগণকে কর্পোরেট মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আনয়ন কৌশল নির্ধারণ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী এমপি বলেন, এ দেশে ইসলামকে নিয়ে যত মৌলিক কাজ হয়েছে তা পৃথিবীর কোথাও হয়নি। সভাপতির বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী আলহাজ অধ্যক্ষ মোঃ মতিউর রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু ইসলামের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে যেসব কাজ করে গেছেন তা অতুলনীয়। ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, আলেম সমাজকে কিভাবে তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় আনা যায় সে বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে। -বিজ্ঞপ্তি