২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্থলসীমান্ত চুক্তি তারই কৃতিত্ব, দাবি মমতার

অনলাইন ডেস্ক ॥ ছিটমহল বিনিময়ের চুক্তি স্বাক্ষর করলেন বাংলাদেশ ও ভারতের দুই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তার পুরো কৃতিত্ব নিজের বলে দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বৃহস্পতিবার রাজ্যের হলদিবাড়িতে হুজুর সাহেবের মাঠে প্রশাসনিক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বলেন, “ভারতে ৫১টি এবং বাংলাদেশের ভিতরে ১১১টি ছিটমহল হস্তান্তর হয়েছে ৩১ জুলাই রাতে। স্বাধীনতার পর থেকে সবাই বলেছিল হবে হবে। কিন্তু হয়নি। আমাদের মা-মাটি-মানুষের সরকার ক্ষমতায় এসে পরিবর্তনের কথা দিয়েছিলাম। কথা রেখেছি। এ পার বাংলার মানুষ ও পার বাংলার মানুষ আজ স্বাধীনতা পেয়ে গর্বিত, আনন্দিত।” এর পরেই তিনি দাবি করেন, “আমি বাংলাদেশ গিয়েছিলাম। পরে ফিরে এসে ছিটমহলেও গিয়েছিলাম। তার পরেই হস্তান্তর হয়েছে।” তাঁর আরও দাবি, শুধু স্বাধীনতা নয়, মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতেই তিনি হলদিবাড়িতে এসেছেন। তিনি বলেন, “৪২৪ কোটি টাকা দিয়ে দিলাম। মানুষের সেতুর স্বপ্ন পূরণ হবে।” পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ছিটমহলের উন্নয়নে প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে। সেখানে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে। যদিও বাস্তব হল, তাঁর এককাট্টা আপত্তিতেই আগের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ ছিটমহল বিনিময় নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করতে পারেননি। বছর দেড়েক আগেও মুখ্যমন্ত্রী ছিটমহল বিনিময় প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘‘রাজ্যের এক ইঞ্চি জমিও বাংলাদেশকে ছাড়ব না!’’

বৃহস্পতিবার ফেসবুকে মমতা লেখেন, ‘‘ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক স্থলসীমান্ত চুক্তি ও ছিটমহল বিনিময়ের পরে আজ আমি কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ি পরিদর্শন করলাম। আমি তিস্তা নদীর উপরে দীর্ঘতম সেতুর শিলান্যাস করেছি। এই সেতু হলদিবাড়ি ও মেখলিগঞ্জের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করবে, যা ওই এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নে আমাদের প্রতিশ্রুতিরই অঙ্গ। আমি এই সেতুর নাম দিয়েছি ‘জয়ী’, যা দীর্ঘদিনের সীমান্ত-সমস্যা সমাধান ও ছিটমহলবাসীর দুর্দশা থেকে মুক্তি ও জয়ের প্রতীক হবে।’ সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা