২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সম্পাদক সমীপে

বর্ষায় মাছ ধরা

এক সময় গ্রাম বাংলায় শ্রাবণ মাস আসত তার অপরুপ বিভা নিয়ে। মেঘ-বৃষ্টি- কাদায় মাখামাখি হয়ে থাকত চার দিক। শ্রাবণের পরশ পেয়ে প্রকৃতি যেন তার সকল রূপ নিয়ে বিকশিত হত।শ্রাবণের মেঘে মাঠ-ঘাট-খাল-বিল একাকার হয়ে যেত। প্রচুর মাছ পাওয়া যেত খাল-বিল- ডোবা-পুকুর সবখানে। এই সময় মাছ ধরার খেলায় মেতে থাকতে দেখা যেত গ্রাম্য কিশোরদের। মাছ ধরার নেশা ছিল সাংঘাতিক। ছিপ, ঝাঁকি জাল , টানা জাল, দোয়ার, চাইর, ভেসাল দিয়ে গ্রাম বাংলায় মাছ ধরার উৎসব বসত। জলবায়ু পরিবর্তন, ঋতু বৈচিত্র, প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা, নাব্যতা সঙ্কট, অপরিকল্পিত ঘরবাড়ি, ইট ভাটা, কৃষি জমি ধ্বংস-এসবের কারনে গ্রাম বাংলার বর্ষা আর আগের মতো পরিলক্ষিত হয় না। এখন বর্ষাকালে আর আগের মতো পানির দেখা মেলে না, শ্রাবণের কাংখিত বৃষ্টিরও দেখা পাওয়া ভার। মাছেরাও যেন গোস্যা করেছে। হারিয়ে যেতে বসেছে বাংলার বিচিত্র স্বাদের বাহারী মাছ। কিন্তু তারপরও গ্রাম্য কিশোরের দল সময় সুযোগ পেলেই এখনও মাছ ধরায় ব্যস্ত হয়ে ওঠে। আগের মতো কি আর মাছ পাওয়া যায়!

আহাদ রেজা রিদ্য

শুক্রাবাদ, ঢাকা