২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পর্যটন লেকে অবৈধ মাছ চাষ

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে পর্যটন লেক অবৈধভাবে ইজারা দিয়ে মাছ চাষ করে যাচ্ছে স্বার্থান্বেষী মহল। পর্যটন লেকে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে পানি চলাচল বন্ধ করায় হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে সৈকত এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত করে তুলছে। জলাবদ্ধতার কারণে স্টেডিয়ামের ভেন্যু ও অন্যান্য অবকাঠামোও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ভেন্যু কো-অর্ডিনেটর আহছানুল হক ও দায়িত্বরত আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে লেক লাগিয়ত দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের কূল ঘেঁষে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামটি প্রধানমন্ত্রী নিজ উদ্যোগে কক্সবাজারের মানুষকে উপহার দিয়েছেন। কিন্তু জাতীয় এই সম্পদের সঠিক পরিচর্যা না করায় স্টেডিয়ামের বহু অবকাঠামো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল।

জানা গেছে, কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্টসংলগ্ন কক্সবাজার শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের গেটের সম্মুখে পর্যটন লেকটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে লাগিয়ত দিয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে স্টেডিয়ামের কতিপয় লোভী কর্মকর্তা-কর্মচারী। একই ভাবে স্টেডিয়ামের ভেতরে আরও দুটি লেক লাগিয়ত দিয়ে প্রতি বছর হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে তিন লাখ টাকা হারে। পর্যটকরা জানান, হোটেলের চারপাশে জলাবদ্বতার কারণে রুম থেকে কোথাও বের হতেও ইচ্ছা করে না। লেক থেকে অসহ্য দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। বিদেশী পর্যটকগণ পর্যটন পয়েন্টে এ রকম জলাবদ্ধতা দেখলে বিদেশে কক্সবাজারের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হতে পারে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সদস্য মাহমুদুল হক মাদু ওই সব লেক ইজারা দেয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

ভারতে পাচারকালে বাগেরহাটে ১৮ নারী-শিশু উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ বাগেরহাট থেকে ট্রাকে করে ভারতে পাচারকালে শুক্রবার দড়াটানা ব্রিজের টোলপ্লাজা এলাকা থেকে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১৮ জনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় আব্বাস হাওলাদার (৩৮) নামে এক মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়। আটক আব্বাস হাওলাদার বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

উদ্ধার হওয়া ১৮ জনের মধ্যে ৭ জন নারী, প্রতিবন্ধীসহ ৫ শিশু ও ৬ জন পুরুষ রয়েছে। তাদের সবার বাড়ি মোরেলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। এরা হলেন আবুল খায়ের (৩২), শাহাদত (২৫), হারুন শেখ (৪০), আলম (৪৫), কাঞ্চন মৃধা (৩৭), ফিরোজ গাজী (৩২), রোকেয়া বেগম (৩৬), মাধুরী (১৮), হাসিনা বেগম (২০), লাকি আক্তার (৪০), লাভলী (২১), রশিদা (৩২), তাসলিমা (৪০), আসলাম (৭), সুরাইয়া (৪), আব্দুর রহিম (৬), রবিউল (৭) ও মোঃ আমিন (১১)।