২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আমির ইস্যু-পিছু হটল পিসিবি

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ আপাতত জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানোর আশা পূরণ হচ্ছে না পাকিস্তান পেসার মোহাম্মদ আমিরের। নিষেধাজ্ঞা কাটানো পেসার মোহাম্মদ আমিরকে দেশের জার্সি গায়ে খেলার সুযোগ দেয়া থেকে আপাতত পিছু হটেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে দলে রাখতে চাইলেও পিসিবি নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাকে এত শীঘ্রই জাতীয় দলের স্কোয়াডে ঠাঁই দেয়া হবে না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা উঠেছে আমিরের। চলতি মাসে জিম্বাবুইয়ে সফরে পাকিস্তান জাতীয় দলে দেখা যেতে পারে আমিরকে, এমনটি নিশ্চিত করেছিল পিসিবি। তবে ২৪ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে সিরিজে পাকিস্তান দলে জায়গা হচ্ছে না আমিরের। এক বিবৃতিতে পিসিবি জানায়, ঘরোয়া ক্রিকেটে আমির ভাল করছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে তিনি যদি তার ফর্ম ধরে রাখতে পারেন, তাহলে জাতীয় দলে তার ফেরা পুনর্বিবেচনা করা হবে। আমরা চাই আমিরকে আসন্ন জিম্বাবুইয়ে সিরিজে না খেলিয়ে অক্টোবরে জাতীয় দলের হয়ে সুযোগ করে দিতে। সম্প্রতি পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরা আমির এ মৌসুমে অসাধারণ বোলিং করেছেন। প্রতিভাবান পেসার প্রসঙ্গে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অক্টোবর-নবেম্বরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তানের সফর রয়েছে। ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা আমিরকে সে সফরের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরার সুযোগ করে দেয়া হবে। তবে, তার আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে এবং পাকিস্তানের ‘এ’ দলে আমিরকে ভাল পারফর্ম করে দেখাতে হবে। এছাড়া সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘কায়েদ-এ-আজম’ ট্রফিতে তাকে নিজের সেরাটা দেখাতে হবে। এর আগে শর্ত সাপেক্ষে মাঠে ফেরার অনুমতি পেয়েছিলেন আমির। ক্রিকেট মাঠে ফেরার সুযোগ পেয়েছিলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত পাকিস্তানী পেসার মোহাম্মদ আমির। কিছু শর্ত সাপেক্ষে পাকিস্তানের এই তরুণ পেসারকে এক বছরের জন্য ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। বেঁধে দেয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমিরের পারফর্মেন্স ও মনোভাব বিচার বিশ্লেষণ করেই তার ভবিষ্যত সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্বান্ত নেবে আইসিসি। আমির তাতে সাফল্যও দেখিয়েছেন। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক হওয়া মোহাম্মদ আমিরকে পাকিস্তানের ভবিষ্যত তারকা বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১০ সালে স্পট ফিক্সিংয়ের মামলায় ধ্বংস হতে বসেছিল তরুণ এই পেসারের খেলোয়াড় জীবন। ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগে বৃটেনের একটি আদালত মোহাম্মদ আসিফ, সালমান বাট ও মোহাম্মদ আমিরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়।