২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ডি মারিয়াকে নিয়ে পিএসজির স্বপ্ন

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইতেই (পিএসজি) নতুন করে ঠিকানা গড়েছেন এ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। প্রায় ৪৪ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে কাভানি-ইব্রাহিভোমিচদের যোগ দিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন উইঙ্গার। নতুন ক্লাবে যোগ দিয়েই নিজের সেরাটা উজার করে দেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ চায় উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের শিরোপা। এ বিষয়ে পিএসজির সভাপতি নেসার আল-খেলাইফি বলেন, ‘এ্যাঞ্জেলকে শেষ পর্যন্ত দলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ করতে পেরে আমি খুবই সম্মানিত বোধ করছি। এখন আমাদের লক্ষ্যই হলো শুধু চ্যাম্পিয়ন্স লীগে মনোনিবেশ করা। এটা হয় তো সকলেই জানা যে, আমার মূল লক্ষ্যই হলো উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ।’

প্যারিস সেইন্ট জার্মেইতে যোগদানের আগে এক বছর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলেছেন এ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। এই সময়ের মধ্যে ২৭ ম্যাচ খেলে প্রতিপক্ষের জালে মাত্র তিনবার বল জড়াতে পেরেছেন তিনি। তবে আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার ডি মারিয়ার স্বর্ণালী সময় কেটেছে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদে। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা এই ক্লাবের জার্সিতে চার বছর খেলেছেন মারিয়া। রিয়ালের হয়ে তিনি খেলেছেন ১২৪ ম্যাচ। আর এই সময় তার পা থেকে প্রতিপক্ষরা পায় ২২ গোল। তবে অতীত সব পরিসংখ্যান ভুলে মারিয়া চান এখন পিএসজিতে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরতে। আর ক্লাব সভাপতিরও বিশ্বাস ডি মারিয়ার দ্বারা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জেতাটা খুবই সম্ভব। আল খেলাইফি বলেন, ‘আমরা আমাদের স্বপ্নের খুবই কাছাকাছি। এই বছরই আমরা চেষ্টা করব। এ্যাঞ্জেল অবশ্যই দলের জন্য তার সেরাটা দিতে চেষ্টা করবে। বিশেষ করে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে। আমি মনে করি আমাদের হয়ে সে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিততে পারবে।’

গত মৌসুমের শেষ মুহূর্তে ম্যানইউ ও মারিয়ার সম্পর্ক একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছিল। গুঞ্জন ছিল যে মারিয়া নিজেই নাকি লুইস ভ্যান গালের দলে থাকতে চান না। কিন্তু প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর জার্সি গায়ে জড়ানোর পর সাংবাদিকদের সরাসরি জানিয়ে দিলেন বাস্তব কথাটা। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ম্যানইউ ছাড়ার সিদ্ধান্তটা আমার একার নয়। এটাও জেনে রাখুন যে ম্যানইউ আমাকে বিক্রি করে দিতে চেয়েছিল। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর কথা যদি আনেন, তাহলে বলব তিন পার্টির সিদ্ধান্তেই আমি লাল জার্সি বদল করেছি। আমি প্যারিসে এসে খুব খুশি হয়েছি, কারণ আমার স্ত্রী-সন্তান এখানে সুখেই থাকবে।’