২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

২০১৪-১৫ অর্থবছরে এলসি খোলা ও নিষ্পত্তি বেড়েছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আগের বছরের তুলনায় এলসি খোলা ও নিস্পত্তি উভয়ের পরিমানই বেড়েছে। অর্থবছর শেষে ৪ হাজার ৩০৬ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ এলসি খোলা হয়েছে। এলসি খোলার হার ২ দশমিক ৯৯ শতাংশ ও নিষ্পত্তি ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৪ হাজার ১৮১ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের সমপরিমাণ এলসি খোলা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বছরটিতে শুধু এলসি খোলার পরিমান বাড়েনি। বেড়েছে এলসি নিষ্পত্তির পরিমানও। সমাপ্ত অর্থবছরটিতে এলসি নিষ্পত্তির পরিমান ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ বেড়ে দাড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৪৫ কোটি ৫২ লাখ মার্কিন ডলারে। যা আগের বছরে ছিল ৩ হাজার ৭১৮ কোটি ৮৮ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলা বেড়েছে ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ। আর নিষ্পত্তির হার বেড়েছে শুন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। অর্থাৎ বছরটিতে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলা হয়েছে ৬৮৩ কোটি ৮ লাখ মার্কিন ডলার। আর নিষ্পত্তি হয়েছে ৬২০ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার। যা আগের অর্থবছরে খোলা ও নিষ্পত্তির পরিমান ছিল ৬২৩ কোটি ৭৭ লাখ ও ৬১৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার।

আলোচ্য সময়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে এলসি খোলা ও নিষ্পত্তির পরিমান বেড়েছে যথাক্রমে ১২ দশমিক ২৯ শতাংশ ও ২২ দশমিক ৯৭ শতাংশ। অর্থাৎ এ বছরটিতে এলসি খোলা হয়েছে ৪৩৫ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার। আর নিষ্পত্তি হয়েছে ৩০৯ কোটি ৬৮ লাখ মার্কিন ডলার। যা আগের অর্থবছরে খোলা ও নিষ্পত্তির পরিমান ছিল যথাক্রমে ৩৮৭ কোটি ৮১ লাখ ও ২৫১ কোটি ৮৩ লাখ ডলার। একই সঙ্গে বেড়েছে শিল্পের কাঁচামাল আমাদানির পরিমানও। শিল্পের কাঁচামালের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে এলসি খোলা ও নিষ্পত্তি হয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ৬১৪ কোটি ৪৫ লাখ ও ১ হাজার ৫১৮ কোটি ১২ লাখ মার্কিন ডলার। যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৮৪ ও ৩ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে খাদ্যপণ্য আমাদনি বাড়লেও কমেছে পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্যের আমদানিতে এলসি খোলা ও ণিষ্পত্তির পরিমান। এলসি খোলা ও নিষ্পত্তিতে ৩২ দশমিক ৮৬ ও ২৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমেছে। আর খাদ্যপণ্য আমাদনিতে ১২ দশমিক ৪৪ শতাংশ ও ৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে এলসি খোলা ও নিষ্পত্তির পরিমান। এদিকে এক মাসের হিসেবে জুন মাস শেষে বিভিন্ন ধরণের পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র খোলা ও নিষ্পত্তির হার উভয়ই বেড়েছে। আলোচ্য সময়ে পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৩৫২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার যা আগের মসে (মে) ছিল ৩৪৭ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। সে হিসেবে এক মাসে এলসি খোলা বেড়েছে ১ দশমিক ৫২ শতাংশ। আগের মাসের চেয়ে ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে জুনে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে ৩১২ কোটি ৮২ লাখ মার্কিন ডলারের। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন শেষে মুলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে ৪৩ কোটি ৯ লাখ ডলার। ২০ কোটি ৯৮ লাখ ডলারের এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে। অন্যান্য মেশিনারীর জন্য এলসি খোলা ও নিষ্পত্তি হয়েছে যথাক্রমে ১০ কোটি ২৯ লাখ ও ৮ কোটি ১৭ লাখ ডলারের।