২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দিনাজপুরে কমার্স ব্যাংকে ভুয়া এ্যাকাউন্ট করে হয়রানি

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ সাধারণ মানুষের সাথে হয়রানিতে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ‘ব্যাংকের ভুয়া এ্যাকাউন্ট’। ফেক এ্যাকাউন্টের বিপরীতে চেক ইস্যু করে চেক ডিজঅনার মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এমন ঘটনা ধরা পড়েছে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দিনাজপুর শাখায়। দিনাজপুর ওই ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকসহ কিছু অসাধু কর্মকর্তা এই জালিয়াতি ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, দিনাজপুরের কাগজ ব্যবসায়ী মশিউর রহমান মৃনালের কাছ থেকে নাজমুল হাসান নামের এক ব্যক্তি ২০১১ সালে ৭৫ হাজার টাকার কাগজ নেন। মূল্য পরিশোধ না করায় নাজমুল হাসানের বিরুদ্ধে দিনাজপুর দায়রা জজ আদালতে মামলা করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের দিনাজপুর শাখার কিছু অসাধু কর্মকর্তা ২০১৩ সালে মশিউর রহমান মৃনালের নামে ০৩৪৩১০০০০০৫৪৫ নম্বরের একটি এ্যাকাউন্ট খোলে। শুধু তাই নয়, ওই এ্যাকাউন্ট থেকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি একটি ২০ লাখ টাকা (১০/এসবি নম্বর ০৪১৬৯০৩) ও একটি ১০ লাখ টাকার (১০/এসবি নম্বর ০৪১৬৯০২) পৃথক দুটি চেক ইস্যু করে মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট এ্যাক্টের ১৩৮ ধারা মোতাবেক দুটি উকিল নোটিশ জারি করেন। পরবর্তীতে মশিউর রহমান বিষয়টি তদন্তের জন্য কমার্স ব্যাংকের দিনাজপুর শাখায় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিভাগে আবেদন করেন। এ প্রসঙ্গে মশিউর রহমান মৃনাল জনকণ্ঠকে জানান, আমি কখনই কমার্স ব্যাংকের দিনাজপুর শাখায় যাইনি। কখনই ওই ব্যাংকের কেওয়াইসি ফরম পুরণ করিনি। এ্যাকাউন্ট খোলার জন্য কাউকে এ্যাটর্নি নিযুক্ত করিনি। কোন ফরমে স্বাক্ষর করিনি। ওই ভুয়া এ্যাকাউন্টে কোন নমিনির নাম নেই। এছাড়া আমার জাতীয়তা পরিচয়পত্রও জমা নেই। নেই কোন স্বনাক্তকারীর নাম। একই কারণে আমি কখনই ওই ব্যাংকের চেকও নেইনি।

তিনি বলেন, আমাকে বিপদে ফেলার জন্য আমার স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে এ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। টেকনিক্যালি আমার ছবিও চুরি করা হয়েছে। তিনি এ ব্যাপারে কতৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। এ প্রসঙ্গে ব্যাংকটির দিনাজপুর শাখার ম্যানেজার রশিদুল কবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।