২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দৃকে অটিস্টিক শিশুদের চিত্র প্রদর্শনী

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ‘রং তুলিতে অজানা কথা’ এ শ্লোগানে অটিস্টিক শিশুদের মেধা ও মননের সঙ্গে পরিচয় করা এবং সর্বসাধারণের মাঝে অটিজম বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে রাজধানীর ধানমন্ডির দৃক গ্যালারীতে অটিস্টিক শিশুদের আঁকা চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ছাত্রসংগঠন হ্যান্স। প্রদর্শনীতে সহযোগিতা দিচ্ছে সার্ফ এক্সেল। ‘ইমারর্জড ফর্ম আননোন-৭’ এর ব্যানারে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে ঢাকার ১০টি বিশেষ স্কুলের অটিস্টিক শিশুদের আঁকা প্রায় ১২০টি চিত্র স্থান পাচ্ছে। প্রদর্শনীটি আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। প্রদর্শনী উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হ্যান্সের চেয়ারম্যান মীর সোহরাবুল হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রিন্টমেকিং বিভাগের অধ্যাপক আবুল র্বাক আলভী, ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্র্যান্ড বিল্ডিং ডিরেক্টর জাভেদ আখতার প্রমুখ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন আবুল র্বাক আলভী। এ সময় মীর সোহরাবুল হোসেন বলেন, অটিস্টিক শিশুদের ভিন্নতার বিশেষত্ব সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন। সবাইকে এই শিশুদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভার উন্মেষে সচেতন হতে এবং তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে আবুল র্বাক আলভী বলেন, অটিস্টিক শিশুদের ভিন্নতা তাদের প্রতিবন্ধকতা নয় বরং বিশেষত্ব যা অনেক সাধারন মানুষের সৃজনশীলতাকে ছাড়িয়ে যায়। এই বিশেষত্বকে উন্মুক্ত করে দেয়া এবং তাদেরকে আলাদা না ভেবে তাদের জন্য এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে করে তারা নিজেদেরকে সমাজের মধ্যে বিকশিত করতে পারে।

অনুষ্ঠানে জাভেদ আখতার বলেন, আমি এই চিত্র প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করা শিশুদের প্রতিভায় মুগ্ধ। আমি মনে করি অটিস্টিক শিশুদের যে বর্ণিল জগত তা উপলব্ধি করার গুরুত্ব অনেক। অটিস্টিক শিশুরা সাধারণত তাদের যেসব অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেনা, সেগুলোই প্রতিফলিত হয়েছে তাদের আঁকা ছবিগুলোতে। তারা তাদের অকৃত্রিম ও অস্পষ্ট চিন্তাশীলতা এবং জীবন, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধ ইত্যাদি সম্পর্কে তাদের ধারণা প্রকাশ করেছে।

এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে অটিজম সম্পর্কে সাধারন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ও এ সম্পর্কিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্র্ণ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিই হ্যান্সের লক্ষ্য।

আয়োজক সুত্রে জানা গেছে প্রদর্শনীটির প্রতিটি ছবি বিক্রয়ের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বিক্রিত ছবির অর্থ এ শিশুদের হাতে তুলে দেয়া হবে।