১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দ্বিতীয় ডেনিম এক্সপো নবেম্বরে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ‘বাংলাদেশ ডেনিম এক্সেপো’ মানেই আন্তর্জাতিক পোশাক ক্রেতাদের এ দেশে আগমন। চলতি বছরের নবেম্বর মাসে দ্বিতীয় দফার এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এ প্রদর্শনীতে অংশ নিতে প্রায় এক হাজার কোম্পানি বাংলাদেশে আসবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আন্তর্জাতিক বাজারে এ মেলার চাহিদা অনেক বেশি। তাই বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপো-২০১৫ এর দ্বিতীয় দফা আয়োজন করা হবে বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে। স্টলের সংখ্যাও দ্বিগুণ করা হচ্ছে। সর্বশেষ ডেনিম এক্সপোতে স্টল ছিল ২৫টি, যা আসন্ন মেলায় বাড়িয়ে ৫০টি করা হবে বলে জানিয়েছেন মেলা কমিটির সদস্য সারোয়ার জাহান।

বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপোর চট্টগ্রামের খুলশি কার্যালয়ে মেলার প্রস্তুতি নিয়ে চলছে নানা আয়োজন। মেলার পরিকল্পনাসহ অন্যান্য কাজ নিয়ে ব্যস্ত কমিটি। জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে মেলার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন।

সারোয়ার জাহান জানান, সর্বশেষ ডেনিম এক্সপো হয়েছিল চলতি বছরের ১১ ও ১২ মে। মেলায় ৪০টি দেশের মোট ৭৬৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল। মেলা পরিদর্শকের সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৮৩ জন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১৮ শতাংশ পরিদর্শক এসেছিল জার্মানি থেকে। চায়না ও তুরস্ক থেকে আসা পরিদর্শকের সংখ্যা ছিল ১৬ শতাংশ করে।

স্টলের সংখ্যা দ্বিগুণ করায় এবার এক হাজারের বেশি কোম্পানি মেলায় অংশ নেবে বলে আশা করছেন তিনি। উল্লেখ্য, প্রতি ছয় মাস পর পর দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপোর আয়োজন করা হয়।

জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে দেয়ার চিন্তা করছে যুক্তরাষ্ট্র

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ঢাকায় নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাট বলেছেন, এ দেশের তৈরি পোশাক ইউরোপের বাজারে এখন একচেটিয়া ব্যবসা করছে। আমেরিকাসহ বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে বাংলাদেশের পোশাক আলাদা স্থান করে নিয়েছে। তাই আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশী তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত (জিএসপি) প্রবেশ সুবিধা ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

চট্টগ্রামের র‌্যাডিসন ব্লু হোটেলে গত শুক্রবার বাংলাদেশ এ্যাপারেল এ্যান্ড সেফটি এক্সপো উপলক্ষে বিজিএমইএ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। বার্নিকাট বলেন, যেভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আশা করা যায়, ২০২১ সালের মধ্যে এ দেশের লক্ষ্যমাত্রা নতুনভাবে নির্ধারিত হবে। বিশেষ করে যদি ৫০-৬০ বিলিয়ন ডলার রফতানি করা যায়, তাহলে সেখানে সহযোগিতা করতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। তিনি বলেন, বাংলাদেশের এক সময় বড় আয়ের উৎস ছিল কৃষি। বর্তমানে সেখানে পোশাকশিল্প জায়গা করে নিচ্ছে। এখানকার প্রতিটি অঞ্চলে একাধিক গার্মেন্টস গড়ে উঠেছে। এসব গার্মেন্টসের পণ্য কোন না কোন দেশে রফতানি হচ্ছে। রূপকল্প ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে আমেরিকা।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, রানা প্লাজা ধসের পর থেকে আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। এ দেশে পোশাকশিল্পের উন্নয়ন দেখে আমি অভিভূত। আমেরিকার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়টিকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।