১৮ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নওগাঁয় কয়েকটি পরিবারে হামলা, নারীদের শ্লীলতাহানী

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ॥ সংখ্যালঘুদের পুকুর জবরদখল করতে গিয়ে সংখ্যালঘু পরিবারে হামলা, মারপিট, ভাংচুর, লুটপাট এবং নারীদের শ্লীলতাহানীর ঘটনায় মামলা করে চরম বিপাকে পড়েছে জেলার রানীনগর উপজেলার হরিপুর গ্রামের সংখ্যালঘু হিন্দুরা। ঘটনায় তাদের মামলার নরমাল চার্জ দিয়ে উল্টা ঘটনার ৫দিন পর প্রতিপক্ষের দায়ের করা কাউন্টার মামলায় শক্ত চার্জশীট দিয়েছে পুলিশ। শুধু তাই নয়। এবার প্রতিপক্ষ ও পুলিশের ভয়ে ঘরছাড়া হযে পালিয়ে বেড়াচ্ছে সেখানকার সংখ্যালঘুরা।

জানা গেছে, ২ে০১৪ সালের অক্টোবর মাসের ২০ তারিখে রানীনগরের হরিপুর গ্রামের রূপচাঁদ প্রামানিকের পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত একটি পুকুর জবরদখল করতে এসে পার্শ্ববর্তী আমগ্রামের আব্দুল খালেক গং সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালিয়ে মারপিট, ভাংচুর, লুটপাট ও নারীদের বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানী ঘটায়। এব্যাপারে ২১ অক্টোবর রূপচাঁদ বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। বিষয়টি ২৭ ও ২৮ অক্টোবর জনকন্ঠে সচিত্র প্রতিবেদন ছাপা হয়। এদিকে এই ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষরা ২২ অক্টোবর আদালতে একটি কাউন্টার মামলা করেন। মামলাটি ২৬ অক্টোবর থানায় রেকর্ড করা হয়। অতিসম্প্রতি মামলা দু’টির চার্জশীট দেয়া হয়েছে। চার্জশীটে সংখ্যালঘুদের দায়ের করা মামলায় জামিনযোগ্য এবং প্রভাবশালী হামলাকারীদের দায়ের করা মামলায় অজামিনযোগ্য চার্জশীট দাখিল করে পুলিশ সংখ্যালঘুদের তাড়া করে ফিরছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার বিকেলে এব্যাপারে রূপচাঁদ প্রামানিক জানান, ঘটনার পর থেকে বিত্তশালী প্রতিপক্ষরা বিভিন্ন স্থানে মোটা অংকের টাকা ঢেলে হাসপাতাল থেকে গ্রিভিয়াস সার্টিফিকেট নিয়ে মামলার মোড় এভাবেই ঘুরিয়ে দিয়েছে। তারা পুলিশকেও ম্যানেজ করে সংখ্যালঘুদের গৃহছাড়া করছে। পুলিশের দাখিল করা ওই চার্জশীটের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। রানীনগর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মাসউদ চৌধুরী বলেন, মেডিক্যাল রিপোর্টের ভিত্তিতে এমন চার্জশীট দেয়া হয়েছে।