২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ফরিদা ইয়াসমীন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ষাটের দশকের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ফরিদা ইয়াসমীন। রবিবার বিকেল চারটার পর গুণী এই কণ্ঠশিল্পীকে মিরপুর ১১ নম্বরের একটি কবরস্থানে মা মৌলুদা খাতুনের কবরে সমাহিত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেনÑ তাঁর স্বামী লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন, দুই ছেলে কাজী শাহনুর হোসেন ও কাজী মায়মুর হোসেনসহ পরিবারের সদস্যরা। এর আগে বাদ জোহর পূর্ব সেগুনবাগিচা জামে মসজিদে মরহুমার জানাজা হয়। সকাল নয়টার পর বারডেমের হিমাগার থেকে শিল্পীর মরদেহ নিয়ে আসা হয় সেগুনবাগিচার ২৪/৪ ঠিকানার বাসভবনে। সেখানে শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে ও শ্রদ্ধা নিবেদন করতে ভিড় জমান সঙ্গীত ভুবনের খ্যাতিমান কণ্ঠশিল্পী, শুভাকাক্সক্ষী ও স্বজনরা। বেলা এগারোটার দিকে সেগুনবাগিচার বাড়িটিতে বিরাজ করছিল বিষণœ শোকের ছায়া। বাড়ির নিচতলার প্রশস্ত আঙিনায় রাখা হয় শিল্পীর প্রাণহীন দেহখানি। আর মরদেহের দুই ধারে পেতে রাখা চেয়ারে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শোকার্ত হৃদয়ে বসেছিলেন খ্যাতিমান কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ আবদুল হাদী, রফিকুল আলম ও আকরাম হোসেন। এ সময় বেদনার ছায়ামাখা মুখটি নিয়ে কোন আপনজনের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলছিলেন প্রয়াত শিল্পীর ছোট বোন দেশবরেণ্য কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন।

ফরিদা ইয়াসমীন প্রসঙ্গে কথা হয় সৈয়দ আবদুল হাদীর সঙ্গে। অগ্রজ শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি জনকণ্ঠকে বলেন, বিরুদ্ধ এক সময়ে সঙ্গীতচর্চা করেছিলেন ফরিদা ইয়াসমীন। আমার জীবনের প্রথম ডুয়েট গানটি গেয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে।